রাজশাহীতে ১৪ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মশিউর রহমান রনিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপালেন বহিষ্কৃত সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাবর আরী।
রবিবার সকালে নগরীর তেরখাদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে আহত ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রনিকে (৪০) উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।
পূর্বশত্রুতার জেরধরে বহিষ্কৃত সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাবর আলীসহ কয়েকজন মিলে রনির উপরে হামলা চালায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। এনিয়ে ১৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সম্ভাব্য সংঘর্ষ মোকাবেলায় ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শ্রমিকলীগের দুই গ্রুপের হাতাহাতি:
এদিকে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিকলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার বেলা ১১টার দিকে কুমারপাড়াস্থ দলীয় কার্যালয়ের পাশে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
আরো পড়ুন: মোহাম্মদপুরে রঙের কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ফুলের ডালা নিয়ে নগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আসেন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানার সমর্থকরা। তারা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিতে চাইলে বাধা দেন শ্রমিক লীগের সভাপতি আবুল খায়েরের সমর্থকরা। এনিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে পৌঁছায়।
মহানগর শ্রমিক লীগের নেতা সাগর বলেন, সবাই মিলে ফুল দেওয়ার কথা। কিন্তু সাধারণ সম্পাদক তার অনুসারীদের নিয়ে একাই ফুল দিতে যান। এ নিয়েই ঘটনার সূত্রপাত।
রাশেদ নামে শ্রমিক লীগের আরেক নেতা বলেন, সভাপতি আগে থেকেই সেখানে ছিলেন। ইচ্ছা করেই তার লোকজন দিয়ে ঝামেলা করেছেন।
মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি আবুল খায়ের বলেন, ঘটনার সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। ফলে কি ঘটেছে তিনি জানেন না।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার বলেন, শ্রমিক লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। তিনি গিয়ে তা মিটিয়ে দিয়েছেন।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
