আরো একটি হারের পথে দক্ষিণ আফ্রিকা!

আপডেট : ২৩ জুন ২০১৯, ২২:০৫

ক্রিকেট বিশ্বকাপের এই আসরে নিজেদের প্রথম ছয় ম্যাচের চারটিতেই হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এটাই দলটির জন্য চরম দুঃসহ স্মৃতি হয়ে গেছে। আজ রবিবার সপ্তম ম্যাচেও হারের পথেই রয়েছে তারা। পাকিস্তানের দেয়া ৩০৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৩৬ রানেই বিদায় চার উইকেটের। খেলাও শেষ ৩০ ওভার। এই অবস্থা থেকে উৎরাতে বড় ধরনের ম্যাজিকই দেখাতে তাদের। আর সেই কাজটি করতে না পারলে নিশ্চিত আরো একটি হার!

ইংল্যান্ডের লর্ডসে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। হারিস সোহেলের ঝড়ো ব্যাটিং ও বাবর আজমের দৃষ্টিনন্দন এক ইনিংসের সুবাদে ৩০৮ রানের বড় সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার লক্ষ্য ৩০৯ রান। লুঙ্গি এনগিডি তিনটি ও ইমরান তাহির দুটি উইকেট তুলে নেন।

জবাবে খেলতে নেমে দলীয় চার রানের মাথায় হাশিম আমলার পতন হয়। ব্যক্তিগত ২ রানে মোহাম্মদ আমিরের বলে এলবিডব্লিউ হন এই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ভালোই খেলছিলেন কুইন্টন ডি কক ও ফাফ ডু প্লেসিস।  ডি কককে ফিরিয়ে ৮৭ রানের এই জুটি ভেঙেছেন সাদাব খান। ৬৩ রানের ব্যক্তিগত ইনিংস খেলে স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন ফাফ ডু প্লেসিস। দলীয় ১৩৬ রানের মাথায় আমিরের দ্বিতীয় শিকার হয়ে দলকে চাপে ফেলে দেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ফখর জামান ও ইমাম উল হক। দলীয় ৮১ রানে প্রথম উইকেটের পতন হয় পাকিস্তানের। ব্যক্তিগত ৪৪ রানে ইমরান তাহিরের বলে হাশিম আমলার হাতে ক্যাচ দেন ফখর জামান। আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ইমাম উল হকও ব্যক্তিগত ৪৪ রানে ইমরান তাহিরের শিকার হলে ৯৮ রানে দুই উইকেট হারায় পাকিস্তান। দলীয় ১৪৩ রানের মাথায় মোহাম্মদ হাফিজ আউট হলেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন বাবর আজম। ব্যক্তিগত ৬৯ রান করে বাবর যখন সাজঘরে ফেরেন, ততক্ষণে পাকিস্তানের সংগ্রহ ২২৪ রান।

এরপর মাঠে নেমেই ঝড়ো গতিতে রান তুলতে থাকেন হারিস সোহেল। তার ৫৯ বলে ৮৯ রানের দানবীয় ইনিংসে ভর করে বড় সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। যোগ্য সঙ্গী হিসেবে তাকে সাপোর্ট দিয়েছেন ইমাদ আলী। এদিন পাকিস্তানের টপ ও মিডল অর্ডারের সব ব্যাটসম্যানই রানের দেখা পেয়েছেন।