বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ৬ আশ্বিন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

চারটি কারণে বিএনপির রাজনীতি বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে: সেলিম মাহমুদ

আপডেট : ২৮ মে ২০২৩, ১০:৪৪

আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ বলেছেন, মার্কিন নতুন নীতির প্রেক্ষিতে ৪টি কারণে বিএনপির রাজনীতি বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন নীতির কারণে আওয়ামী লীগের কোন অসুবিধা হবে না।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ১০ নম্বর উত্তর গোহট ইউনিয়ন এবং ১২ নম্বর আশরাফপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ আয়োজিত উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।‌‌

ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, যে চারটি কারণে বিএনপি বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে সেই কারণগুলো হচ্ছে- প্রথমত, বিএনপির বিগত কয়েক বছরের রাজনীতির মূল লক্ষ্য ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন। তারা বলে আসছে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা ছাড়া শেখ হাসিনার অধীনে তারা নির্বাচনে যাবে না। মার্কিন এই নীতির ফলে বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিটি ভেস্তে গেল।

দ্বিতীয়ত, বিএনপি এতদিন বলে আসছিল নির্বাচনের আগে এমন একটি স্যাংশন আসবে যার ফলে আওয়ামী লীগ সরকার লণ্ডভণ্ড হয়ে যাবে। এর ফলে বিএনপি তাদের সুবিধাজনক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচনে ক্ষমতায় আসবে। কোন স্যাংশন আসলো না। বরং যেটি আসলো সেটি তাদের নির্বাচন প্রতিহত করার ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিল।

তৃতীয়ত, বিএনপি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বলে আসছিল, বিএনপি নির্বাচনে না আসলে সে নির্বাচন আন্তর্জাতিক মহলে অংশগ্রহণমূলক না হওয়ার কারণে গ্রহণযোগ্য হবে না।  মার্কিন এই নতুন নীতির ফলে পশ্চিমা বিশ্বের কাছে বিএনপির এই দাবি ভেস্তে গেল।‌‌

চতুর্থত, শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি, প্রয়োজনে যে কোন মূল্যে নির্বাচন প্রতিরোধ করবে তারা- এটিই বিএনপির মূলনীতি। বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে মার্কিন নতুন নীতি অনুযায়ী নির্বাচন প্রতিরোধ করা সবচেয়ে বড় অপরাধ। তাই শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন প্রতিহত করার বিএনপির সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ হয়েছে।

আওয়ামী লীগ আয়োজিত উঠান বৈঠকে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও‌ কচুয়া আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের সভাপতি আইয়ুব আলী পাটোয়ারী, কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ, কচুয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাজমুল আলম স্বপন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান হাতেম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও পৌর যুবলীগের সভাপতি মাহবুব আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইত্তেফাক/এসকে