বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদে শিক্ষার্থী ও অভিভাবদের মানববন্ধন

আপডেট : ২৪ জুন ২০২৩, ১৭:০৬

ছাত্রীদের উত্যক্ত করায় দোষী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার এবং শাস্তির দাবিতে মানবন্ধন করেছে পাবনার চাটমোহর উপজেলার পাচুড়িয়া মুক্তিযোদ্ধা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। 

শনিবার (২৪ জুন) দুপুর ১টার দিকে বিদ্যালয় মাঠে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বিদ্যালয়ের ২ শতাদিক ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক অংশ নেন। এ সময় উত্ত্যক্তকারী পাচুড়িয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম লফিনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন ডিবিগ্রাম ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুল মতিন বিশ্বাস, সাবেক মেম্বার তোফাজ্জল হোসেন, আব্দুস ছালাম, যুবলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম, উজ্জল হোসেন, আব্দুর রউফ, চঞ্চলসহ অনেকে। 

বক্তারা বলেন, রফিকুল ইসলাম লফিন বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সময় ছাত্রীদের নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে। এ ব্যাপারে তাকে বারবার স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকরা বিরত থাকার কথা বললেও, সে কোনো কথায় শোনে না। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলম রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাটমোহর থানায় একটি অভিযোগও দিয়েছেন। কিন্তু পুলিশ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে প্রধান শিক্ষক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে আজকের মানববন্ধন। বক্তারা অবিলম্বে রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান। 

প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ছাত্রীরা আমার কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানালে আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। ইউএনও মাধ্যমিক শিক্ষা অীফসারকেও অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার মেলেনি। এ কারণে আজকে অভিভাবকও শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছে দোষী ব্যক্তির শাস্তির দাবিতে। আমি অভিযুক্ত ব্যক্তির শাস্তি চাই। না হলে অভিভাবকরা মেয়েদের স্কুলে পাঠাবে না।

অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম লফিন বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয়। প্রধান শিক্ষককের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমি প্রতিবাদ করেছিলাম। তাই আমার বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তথ্য প্রমাণে আমি দোষি হলে যে কোনো সাজা মেনে নেবো।

সহকারী পুলিশ সুপার (চাটমোহর সার্কেল) হাবিবুল ইসলাম বলেন, আমাদের তো আইন অনুযায়ী কাজ করতে হয়। প্রধান শিক্ষক যে অভিযোগ দিয়েছেন, তাতে ঘটনার সময়, স্থান উল্লেখ নেই। আমি প্রধান শিক্ষককে অভিযোগটি সংশোধন করে দিতে বলেছি। তিনি আসেন নাই। অভিযোগটি সংশোধন করে দিলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামলা নিতে ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে তো কোনো সমস্যা নেই।  

ইত্তেফাক/পিও