ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য বাঁচা-মরার। হারলেই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে বিদায়। এমন সমীকরণ সামনে রেখে মালদ্বীপের বিপক্ষে শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে জামাল ভূঁইয়ারা। তাতে ছিটকে যাওয়ার চোখ রাঙানি আরও প্রবল হয়। তবে রাকিব হোসেন আগেই সব শেষ হতে দেননি। অন্তত প্রথমার্ধ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ম্যাচে রেখেছেন এই ফরোয়ার্ড।
আজ (রবিবার) সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মালদ্বীপের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামের এই ম্যাচের প্রথমার্ধে ১-১ সমতায় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।
লেবাননের বিপক্ষে সাফের প্রথম ম্যাচে দারুণ প্রতিরোধ গড়েও শেষ রক্ষা হয়নি বাংলাদেশের। হারতে হয়েছে শেষ দিকে। প্রথম ম্যাচে হারতেই সাফ থেকে বিদায়ের বিষাদের সুর শুনতে পায় জামালরা। মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচটি হয়ে দাঁড়ায় কঠিন পরীক্ষার।
বেঙ্গালুরুতে সেই ম্যাচেই ১৮ মিনিটে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ে। হামজা আহমেদের গোলে হতাশায় গ্রাস করে লাল-সবুজ দলের ডাগ আউটে।
গোলে শোধে মরিয়া বাংলাদেশ আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। মালদ্বীপের রক্ষণে চাপ তৈরি করতে থাকে। বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগও তৈরি করে। তবে অ্যাটাকিং থার্ডে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেরায় গোল পাওয়া হচ্ছিল না। এজন্য ভাগ্যকেও দুষতে পারে বাংলাদেশ।
তপু বর্মণের হেড গোললাইন থেকে ফিরে আসে মালদ্বীপের এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে। ফিরতি বল মালদ্বীপেরেই আরেক খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে আবার গোলমুখে। এবার মালদ্বীপের গোলকিপার ঝাঁপিয়ে বল ঠেকাতে হতাশায় মাথায় হাত জামালদের।
তবে খানিক পরে আসে আনন্দের উপলক্ষ। ৪২ মিনিটে রাকিরে চম’কার হেডে সমতায় ফেরে বাংলাদেশ। বাঁ প্রান্ত থেকে সোহেল রানার ক্রস বক্সের ভেতরে হেড করেন তপু। এই ডিফেন্ডার হেড থেকে উড়ে আসা বলেই হেড করে জাল খুঁজে নেন রাকিব।
শেষ পর্যন্ত ওই গোলেই স্বস্তি নিয়ে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। প্রথমার্ধ শেষে স্কোরলাইন থাকে ১-১ সমতা।
