মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশ যখনই আক্রমণে গেছে, তখনই ডিফেন্স লাইন রেখে তপু বর্মন মালদ্বীপের বক্সে গিয়েছিলেন এরিয়েলের বলগুলোতে মাথা লাগাতে। ভাগ্যবান তপু। দুই দুটি গোলের পেছনে মাথায় লাগিয়ে বিরাট ভূমিকা রেখেছেন তিনি। মালদ্বীপের বিপক্ষে ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশকে নিজের গোলেই সমতা এনে দিতে পারতেন।
তপুর হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন মালদ্বীপের হুসাইন। তখনই সমতা আনার প্রথম সুযোগ নষ্ট হয়। রাকিব হোসেনের গোলে সমতা আনে বাংলাদেশ। এই গোলের পেছনে তপু বর্মনের অবদান। সোহেল রানার কাছ থেকে বল পেয়ে তপু বর্মন মাথা লাগিয়ে এগিয়ে দেন রাকিবকে। সেটি গোলে পরিণত করে সমতা আনেন রাকিব।
৬৭ মিনিটে তারিক কাজী গোল করে এগিয়ে দেন বাংলাদেশকে। এই গোলের পেছনেও তপু বর্মনের অবদান আছে। তপু হেড করে বলটা মালদ্বীপের ছোট বক্সে গোললাইনের কাছাকাছি ফেলেন। সেখান থেকে তারিক কাজী তিন বারের চেষ্টায় গোল করেন। অসাধারণ পারফরম্যান্সে মালদ্বীপ জয়ের আরেক নায়ক হয়েছেন তপু।
