মাদারীপুরের বর্তমান পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলমের বিভিন্ন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মাদারীপুরবাসী।
পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম কর্তৃক মাদারীপুরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক এবং সৌন্দর্য্য বর্ধনকারী দিকগুলো হলো- নির্মিত মুক্তিযুদ্ধ ও পুলিশ টেরাকোটা শুভ উদ্বোধনের ব্যবস্থাকরণ, পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এ্যাকুরিয়াম এর জন্য সিড়ি নির্মান, পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ও ফল গাছ রোপন করে সৌন্দর্য্য বর্ধন, পুলিশ লাইন্সে অবস্থিত পুরাতন পুলিশ হাসপাতাল(এমআই সেন্টার)'কে পুলিশ অফিসার্স মেস হিসাবে উন্নীতকরণ ও বাস্তবায়ন, পুলিশ লাইন্সের রিজার্ভ অফিস, ড্রিল সেড, ট্রাফিক ব্যারাক এবং ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার ভবন সমূহের ছাদে সর্বমোট ১২০(একশত বিশ) টি বিভিন্ন জাতের বৃক্ষ রোপন করে ছাদ বাগান করণ, পুলিশ লাইন্সের পুরাতন কোয়ার্টার্স, মহিলা ব্যারাকের সামনে এবং রেশন স্টোর এর সামনে বিশাল ময়লার স্তুপ পরিস্কার করে উর্বর মাটি দ্বারা ভরাট করে সবজি বাগান করা, পুরুষ ব্যারাক ভবনের সামনে নিচু জায়গা মাটি দ্বারা ভরাট করণ, পুলিশ লাইন্স প্রধান ফটকের পাশে জনসাধারণ ও পুলিশ সদস্যদের যাতায়াতের জন্য সর্বমোট ২৫৭৬(দুই হাজার পাঁচশত ছিয়াত্তর) বর্গফুট রাস্তা টাইলস দ্বারা নির্মাণ করা, পুলিশ লাইন্সের পানি নিষ্কাশনের উদ্দেশ্যে একটি শ্যালো মেশিন এর ব্যবস্থাকরণ, পুলিশ লাইন্স অস্ত্রাগার এবং এমটি শাখার ভবন সমূহ মেরামত, সংস্কার এবং রং করণ, পুলিশ লাইন্স জামে মসজিদ সংস্কার এবং রং করণ, পুলিশ সুপারের বাসভবন এর নিচু জায়গা সমূহ মাটি দ্বারা ভরাট করণ, পুলিশ সুপারের বাসভবন এর সীমানা প্রাচীর এর পাশ দিয়ে হাঁটাচলার উদ্দেশ্যে টাইলস দ্বারা রাস্তা তৈরী করণ এবং রাস্তার দুই পাশের পাতাবাহার এবং বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের চারা রোপন, পুলিশ সুপারের বাসভবনে সবজি বাগান করণ, বাসভবন সংস্কারকরণ ও রং করণ, বাসভবনের ভিতরে অবস্থিত পুলিশ গার্ডরুম সংস্কারকরণ, টাইলস লাগানো এবং অস্ত্রগুলি ও পোশাক রাখার জন্য গার্ডরুমের ভিতর বক্স (আলমারি) নির্মান, গার্ডের সদস্যদের সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার উদ্দেশ্যে গভীর নলকুপ স্থাপন, বাসভবনের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ও ফলের বাগান তৈরীকরণসহ আরো বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
মো. মাসুদ আলম বিপিএম (বার) পিপিএম তিনি মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হিসাবে যোগদান করে জেলার ৫ থানাকে ঘুষ ও দুর্নীতি মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। থানায় জিডি, মামলা, পুলিশ ক্লিয়ারেন্সসহ কোনো বিষয়ে এখন আর টাকা পয়সা লাগে না । পুলিশ সুপারের রুমের দরজা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে । গরীব, দুঃখী, অসহায় মানুষগুলো যেমন সেবা পাচ্ছে ঠিক বড়লোক মানুষগুলো একিই সেবা পাচ্ছে । তার কাছে সবাই সমান। ইতিমধ্যে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের জঙ্গিবাদ, মাদক, ইভটিজিং এবং বাল্য বিয়ে নিয়ে সচেতন করতে ৫ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসিদের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপার ।বাংলাদেশ পুলিশের সুনাম ধরে রাখার লক্ষে মাদারীপুর জেলার ৫ উপজেলার জনসাধারণকে নিরাপত্তা দিতে দিনরাত কাজ করেছেন তিনি। তার মেধা ও কর্মদক্ষতা দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে সংঘর্ষ-মারামারী, মাদক, ইভটিজিং ও গ্যাং কালচার মুক্ত এবং চুরি-ডাকাতি ঠেকাতে সক্ষম হয়েছেন।
সেবা নিতে আসা একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা হলে জানা যায়, বর্তমান পুলিশ সুপার নাকি অনেক ভালো, ধৈর্য সহকারে মানুষের কথা শুনেন, মানুষকে সঠিক পরামর্শ দেন, আমি একটি মামলা করেছি, মামলা করতে কোন টাকা পয়সা লাগেনি, আমরা আরো শুনেছি পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বিপিএম (বার) পিপিএম একজন সৎ লোক । তার মতো এমন পুলিশ সুপার যদি সব জেলায় থাকতো তাহলে মানুষের সেবা পেতে আর কষ্ট হতো না ।
