ভারতের বেঙ্গালুরুতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ দলের দলনেতা শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর। মালদ্বীপের বিপক্ষে ২০ বছর পর জয় পেয়েছে সাফে। ২০০৩ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফে বাংলাদেশ দলের দলনেতা ছিলেন শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর। সেবারও গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ হারিয়েছিল মালদ্বীপকে। ২০ বছর পর সেই মানুষটি আবার সাফে এই জয় দেখলেন।
কেমন দেখছেন সাফ? বেঙ্গালুরুর কর্ণাটক থেকে ফোনে শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর বললেন, সেই সাফের খেলা আর এই সাফের খেলার মধ্যে পার্থক্য অনেক। একটার সঙ্গে আরেকটার তুলনা হয় না। এখন দেশের ফুটবলে মাঠের বাইরের বিষয় নিয়ে কথা হয় বেশি। আমরা ফুটবলারদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করছি, তারা যেন ফুটবলেই মনোযোগ দেয়। খেলোয়াড়েরাই পারে একটা ভালো রেজাল্ট এনে দিতে। দেশের ফুটবলের মানুষের মনে প্রশান্তি দিতে পারে। জিততে পারলে দেশের ফুটবল দর্শক খুশি হবে। সেটাই বোঝানোর চেষ্টা করেছি। মালদ্বীপের বিপক্ষে জয়টা আমাদের দর্শক মনে একটু হলেও শান্তি দিয়েছে। এখান থেকে পেছানোর সুযোগ নেই।’
শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর বলেন, ‘লেবাননের বিপক্ষে ম্যাচে আমরা ভালো অবস্থায় ছিলাম। জিততে পারলে বড় ঘটনা হতে পারত। সাফে এখন ভালো অবস্থানে থাকতে পারতাম। যাই হোক, তারিক কাজী ভুল করেছিল। সে পরে ক্ষমা চেয়েছে। লেবানন ম্যাচ ভুলতে উজ্জীবিত করতে আমরা কথা বলেছিলাম। এখনো অনেক দূর যেতে হবে আমাদের।’
বর্তমান দল নিয়ে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘তরুণ ফুটবলাররা ভালো খেলছে। ফাহিম গোল মিস করলেও সে ভালো খেলেছে। আছে মোরসালিন, জনি, রফিক, সিনিয়রের মধ্যে তপু-এরা সবাই কমবেশি ভালো করছে। সবার মধ্যে একটা কমিটমেন্ট আছে।’
ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি ছিলেন শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর। বছরের পর বছর ক্লাব ফুটবল চালিয়েছেন তিনি। কাছ থেকে কোচ হ্যাভিয়ের কাবরেরাকে কেমন দেখছেন শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর? তিনি বললেন, ‘কোচ খুব স্বাধীন। আমার কিছু বলার নেই এখানে। ফুটবল যতটা দেখি, তাকে একটা জায়গায় আমার প্রশ্ন ছিল, লেবাননের বিপক্ষে চেঞ্জিংটা নিয়ে প্রশ্ন আছে। চেঞ্জিংটা কেন এমন হলো বুঝলাম না।’
