দিরাইয়ে কোরবানির মাংস নিয়ে দরিদ্রদের দুয়ারে ইউএনও

আপডেট : ৩০ জুন ২০২৩, ২০:০৬

ঈদুল আজহায় অসহায় ও দরিদ্র পরিবারে পশু কোরবানি দেওয়া সম্ভব হয় না। আত্মীয় স্বজন বা পাড়া প্রতিবেশীরা দিলে সে মাংস ঘরে নিয়ে রান্না করে খাওয়া হয়। এ ছাড়া সারা বছরে একবারও মাংস কিনে খাওয়ার সামর্থ্য নেই অনেকের। 

পশ্চিম দিরাইয়ে অধিকাংশ মানুষই হতদরিদ্র। তাদের টানাপোড়েনের সংসারে তিনবেলা খাবার জোগানোই দায়, সেখানে গরুর মাংস তো দূরের কথা। সেইসব দরিদ্র মানুষদের দুয়ারে কোরবানির মাংস পৌঁছে দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমান মামুন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) ঈদুল আজহার দিন দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত তিনি উপজেলার দুর্গম এলাকা বাসাকরচ গ্রামে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘরগুলোর বাসিন্দা ৬০টি পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস পৌঁছে দেন। 

ছবি: ইত্তেফাক

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনি রায়, দিরাই অনলাইন প্রেস ক্লাব সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার উপজেলা সংবাদদাতা মুজাহিদ সর্দার তালহাসহ অনেকে। 

প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেওয়া ঘরের বাসিন্দা সমতারা বিবি দিনমজুর স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই ছেলেদের সংসারেই থাকেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দেওয়া কোরবানির মাংসের প্যাকেট হাতে পেয়ে চোখ যেন পানিতে টলটল করেছে। শুধু সমতারা বিবি নয় আয়মনা বেগম, মমতাজ বেগম, কুলসুম বেগমসহ একাধিক নারীর চোখে পানি আর কষ্টের ছাপ। তাদের মধ্যে অধিকাংশই বিধবা বা স্বামী পরিত্যক্তা। সবার চোখে পানি টলটল করলেও মাংস হাতে পেয়ে মুখে হাসি ফুটেছে। তাদের চোখে পানি থাকলেও মুখে হাসি দেখা যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান মামুন বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার ঘরগুলোর বাসিন্দা উপজেলার ৮৪টি পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস পৌঁছে দিয়েছি। এ ছাড়াও বিগত কিছুদিন পূর্বে সিলেট ঢাকা মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ৭টি পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

ইত্তেফাক/পিও