‘এই হার মেনে নেওয়া কঠিন’

আপডেট : ০১ জুলাই ২০২৩, ২২:২২

কী দুর্দান্ত ফুটবল। র‌্যাঙ্কিংয়ে ৫১ ধাপ এগিয়ে থাকা কুয়েতের বিপক্ষে জানপ্রাণ দিয়ে লড়াই করলো বাংলাদেশ। দুঃখটা হয়তো সেকারণেই বেশি। ইশ, আরেকটু সময় যদি ধরে রাখা যেত! অতিরিক্ত সময়ের গোলে হারের যন্ত্রণা পুড়িয়ে যাচ্ছে গোটা দেশকে। বাংলাদেশের কোচ হাভিয়ের কাবরেরা তো মানতেই পারছেন না!

‘ফুটবলের দিন ফুরিয়েছে’- কথাটা বাংলাদেশের ফুটবলপাগল সমর্থকদের হৃদয়ে রক্ত ঝরায়। বাস্তবিক চিত্রেও সেটিই ফুটে ওঠে। পেছাতে পেছাতে বাংলাদেশের ফুটবল এখন তলানিতে। উঠে দাঁড়ানোর অনেক আশা দেখানো হলেও সেখানে কেবলই হতাশার ছবি। কিন্তু এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের দিকে যদি তাকানো যায়? না, ফাইনালে ওঠা হয়নি; তবে দারুণ ফুটবলে উজ্জ্বল আগামীর ইঙ্গিত মিলেছে।

বেঙ্গালুরুর সেমিফাইনালের নির্ধারিত সময়ে কোনও গোল হয়নি। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ। কুয়েতের কাছে ১-০ গোলের হারে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে বিদায়।

তলানিতে ঠেকা ফুটবলে নতুন আশার দোল লেগেছে। সেমিফাইনালে হারলেও তাই খুব বেশি হতাশ নন কাবরেরা। তবে খেলা অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে গিয়েও শেষরক্ষা করতে না পারার কষ্ট ঠিকই পোড়াচ্ছে এই স্প্যানিশ কোচকে।

ম্যাচ শেষে তিনি বলেছেন, ‘এই হার মেনে নেওয়া কঠিন। গোটা দল দারুণ খেলেছে। টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকতা দেখিয়ে খেলেছে। তাদের খেলার ধরন যে পর্যায়ে গেছে, তা অবিশ্বাস্য।’

এই ম্যাচের চিত্র অন্যরকম হতেই পারতো। যদি ম্যাচের শুরুতে শেখ মোরসালিন সুযোগটা কাজে লাগাতে পারতেন। এ রকম আরও কয়েকটি সুযোগ নষ্ট হওয়ায় আক্ষেপে ‍পুড়ছেন কাবরেরা, ‘জয়টা আমাদের প্রাপ্য ছিল, ভালো খেলেছি। কিছু গোলের দারুণ সুযোগ সৃষ্টি করেছিলাম। ফলাফলের দিক থেকে ম্যাচটি দুর্ভাগ্যজনক। তবে পারফরম্যান্সের বিবেচনায় দুর্দান্ত।’

সেমিফাইনাল ম্যাচের রেফারিং ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। বাংলাদেশ বেশ কয়েকবার ‍রেফারির সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। যদিও কাবরেরা সরাসরি আঙুল তোলেননি। বরং তিনি বলেছেন, ‘রেফারিং টুর্নামেন্ট জুড়ে কেমন হয়েছে এটা সবাই দেখেছে। আমার এ বিষয়ে কিছু বলার নেই। যা হওয়ার তাই হয়েছে।’

ইত্তেফাক/কেআর/