‘রেফারি আমাদের শেষ করে দিয়েছে’, বাংলাদেশ দলের ক্ষোভ

আপডেট : ০১ জুলাই ২০২৩, ২২:৫৯

১৪ বছর পর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ। ফুটবলে এই প্রাপ্তির আনন্দই আকাশ ছুঁয়ে যায়। লক্ষ্য স্থির হয় ফাইনালের। সে পথে বাধা শক্তিশালী কুয়েত। তাতে কী! বাংলাদেশ ভয় পায় না। শেষ পর্যন্ত জেতা হয়তো হয়নি, তবে বুক চিতিয়ে লড়াই করে ঘাম ঝরিয়ে ছেড়েছে কুয়েতকে। এই হারের হতাশার সঙ্গে ক্ষোভের আগুন মিশে গেছে। রেফারিং নিয়েই যত অভিযোগ বাংলাদেশের ফুটবলারদের।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনাল ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। অতিরিক্ত সময়ে হজম করা গোলটি হয়েছে ডিফেন্ডার তপু বর্মণের পায়ের ফাঁক দিয়ে। ম্যাচ শেষে এই ডিফেন্ডার সরাসরিই বলেছেন, ‘কিছুই বলার নেই। রেফারি আমাদের শেষ করে দিয়েছে। নাথিং টু সে। নাথিং টু সে।’

রেফারির দায়িত্বে ছিলেন ক্রিস্টাল জন। ভারতীয় এই রেফারির দিকে সরাসরি আঙুল তুলেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও, ‘আমাদের মনে হয়েছে ১২০ মিনিট রেফারি আমাদের বিপক্ষে ছিল। একারণে আমরা একটু রাগ করেছিলাম। কুয়েতের প্লেয়ারটা অনেক ভুল করেছে, কিন্তু রেফারি ফাউল দেননি।’

রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইব্রাহিমও, ‘জয়ের জন্য মাঠে নেমেছিলাম। সবাই জানপ্রাণ দিয়ে চেষ্টা করেছে। ব্যাডলাক ছাড়া আর কিছু বলার নেই। রেফারিং আমাদের বিপক্ষে গেছে। ওরা (কুয়েত) অনেক ফাউল করেছে, কিন্তু রেফারি ফাউল দেয়নি।’

ম্যাচের শুরুর দিকে দারুণ সুযোগ নষ্ট করছিলেন শেখ মোরসালিন। তিনি সুযোগটা কাজে লাগাতে পারলে ফল ভিন্নও হতে পারতো। যদিও গোটা টুর্নামেন্টে আলো ছড়িয়েছেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। হারলেও দলের পারফরম্যান্সে তিনি খুশি, ‘আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমরা অনেকটা সময় ভালো খেলেছিলাম, সুযোগ তৈরি করেছিলাম। চেষ্টা করবো সামনে ভালো কিছু করার।’

ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষের বক্তব্য, ‘সবসময় তো আমরা সান্ত্বনা নিয়েই দেশে ফিরি। এবার আমাদের আশা ছিল আরও বেশি। মাঠে নামার আগে, নামার পরে, এমনকি টিম ব্রিফিংয়ে আমি বারবার বলেছি- আমরা যদি পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রাখি, তাহলে কুয়েত বাধা পেরোতে পারবো। কিন্তু দিনটি আসলে আমাদের ছিল না।’

ইত্তেফাক/কেআর/