কাঁচা মরিচের দাম অর্ধেকে নামলেও বেড়েছে আলুর দাম

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৩, ২০:৫৭

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে একদিনের ব্যবধানে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজির কাঁচা মরিচের দাম কমে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। তবে ৩ থেকে ৪ দিনের ব্যবধানে আলুর দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ থেকে ১৩ টাকা।

ফুলবাড়ীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সোমবার (৩ জুলাই) কাঁচা মরিচ পাইকারি বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ৩৫০ টাকা থেকে ৩৭০ টাকা দরে। একই মরিচ খুচরা বাজারে বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি। তবে মাত্র একদিনের ব্যবধানে মঙ্গলবার পাইকারি বাজারে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। আর খুচরা বাজারে বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকা থেকে ২০০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচের দাম কমে আসায় ক্রেতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। 

ছবি: ইত্তেফাক

এদিকে কাঁচা মরিচের দাম অর্ধেকে নেমে আসলেও ৪ দিনের ব্যবধানে আলুর দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ থেকে ১৩ টাকা। পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারেও খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

জানা যায়, ঈদের আগের দিন বুধবার উপজেলার খুচরা বাজারে কাঠিনাল আলু ২৫ টাকা, সাদা আলু ৩৫ টাকা, শীল বিলাতি আলু ৩২ টাকা, গোল বিলাতি আলু ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। কিন্তু ৪ দিনের ব্যবধানে মঙ্গলবার কাঠিনাল আলু ৩৫ টাকা, সাদা আলু ৪৫ টাকা, শীল বিলাতি আলু ৪৫ টাকা, গোল বিলাতি আলু ৪৮ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি বাজারে বেশি দামে আলু কিনতে হচ্ছে বলেই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। 

ছবি: ইত্তেফাক

পাইকারি ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন ও কালুকান্ত দত্ত বলেন, কাঁচা মরিচের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় পাইকারি ও খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। তবে আলুর সরবরাহ না থাকায় মোকাম থেকেই বেশি দামে আলু কিনতে হচ্ছে বলেই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। কেউ অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইত্তেফাক/এবি/পিও