বে-টার্মিনালে ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগের আশা

চট্টগ্রাম চেম্বার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের মতবিনিময়

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৩, ০১:০০

ভারতের মিনিস্ট্রি অব এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্সের রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম ফর ডেভেলপিং কান্ট্রিজ (আরআইএস)-এর সহকারী অধ্যাপক ড. পানকৌড়ি গৌর ও রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট রানা আমানত সিং বৃহস্পতিবার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চট্টগ্রাম চেম্বার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময় সভায় চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি তরফদার মো. রুহুল আমিন বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ সম্পর্ক দুইটি প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ভৌগোলিক কারণে চট্টগ্রাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত। ক্রমবর্ধমান আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের চাপ সামাল দিতে সরকার বে-টার্মিনাল প্রকল্প গ্রহণ করেছে। আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে এখানে ৪ বিলিয়ন (৪০০ কোটি) ডলারের অধিক বিনিয়োগের আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের নৌ যোগাযোগ থাকলেও তার সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না। তাই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য খরচ ও সময় হ্রাস করতে নৌ যোগাযোগের উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

ড. পানকৌড়ি গৌর বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত কৃষি ক্ষেত্রে অনেকটা স্বয়ংসম্পূর্ণ। মিঠা পানির মাছ, ফল, আলু ও অন্যান্য সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ অনেক অগ্রসর। এসব পচনশীল দ্রব্যের আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতার কারণে পাশাপাশি দেশ হয়েও ভারতের সঙ্গে সহজে বাণিজ্য সংঘটিত হচ্ছে না। এ জন্য ননট্যারিফ ব্যারিয়ার দূরীকরণ এবং কৃষি ক্ষেত্রে পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধন নিশ্চিত করলে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। এ সময় চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক মো. রকিবুর রহমান (টুটুল), এসএম তাহসিন জোনায়েদ, মোহাম্মদ নাসিরুল আলম (ফাহিম), প্রাক্তন পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ ও রিলায়েন্স অ্যাসেট্স্ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টস (বিডি) লিঃ-এর পরিচালক ওমর মুক্তাদির আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

ইত্তেফাক/এমএএম