চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ বিক্রি ও শ্রমিকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ 

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৩, ১৯:১৪

নেত্রকোনার কেন্দুয়ার চিরাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল কবির খানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ বিক্রি ও ৪০ দিনের প্রকল্পের শ্রমিকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। 

এ ঘটনায় সম্প্রতি উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের চংনোয়াগাঁও গ্রামের জামাল মিয়া এবং ছিলিমপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহিম খান জেলা ও উপজেলা প্রশাসন বরাবর পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ করেন। একই ঘটনায় চিতোলিয়া গ্রামের বাবুল ঠাকুর ও আবুল মিয়া নামে দু’জন শ্রমিকও এমন অভিযোগ করেন।

অভিযোগে বলা হয়, ১ মাস আগে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই চিরাং ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরের সরকারি ৩০-৩৫টি গাছ কেটে ফেলা হয়। পরে বিনা অনুমতিতে গাছগুলো বিক্রি করে দেন। এসব গাছের আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এনামুল কবির খান আত্মসাৎ করেছেন। 

অপর অভিযোগে বলা হয়, চিরাং ইউনিয়নে অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থানে ৪০ দিনের কর্মসূচির নামে প্রকল্প দেখিয়ে শ্রমিকদের নামে টাকা উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করেন ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল কবির খান। এ প্রকল্পের তালিকায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা কোনোদিন রাস্তায় কাজ করতে কেউ দেখেনি। 

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাজিব হোসেন বলেন, অভিযোগের তদন্ত চলছে। এরইমধ্যে অভিযোগকারী বাবুল ঠাকুর ও আবুল মিয়া তাদের অভিযোগ প্রত্যাহার করে লিখিত দিয়েছেন। তবে ছিলিমপুর গ্রামের আব্দুর রহিম খানের অভিযোগের বিষয়ে কিছু জানা নেই।

অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল কবীর খান বলেন, পরিষদের ৪টি গাছের ২৪টি টুকরো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে নিলামের মাধ্যমে ৩২ হাজার ৫০০ টাকা বিক্রি করে পরিষদের কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্প নিয়ে করা অভিযোগগুলো মিথ্যা। একটি কুচক্রী মহল আমাকে হেয় ও হয়রানি করতেই এসব মিথ্যা অভিযোগ করাচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাবেরী জালাল বলেন, আমি বর্তমানে ছুটিতে আছি। ছুটি শেষে অফিসে গিয়ে বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ইত্তেফাক/এবি/পিও