সুন্দরবনে দুই মাস মাছ ধরায় বন-বিভাগের নিষেধাজ্ঞা

আপডেট : ২৫ জুন ২০১৯, ১৭:২৫

সাতক্ষীরা রেঞ্জের পশ্চিম সুন্দরবনের মধ্যে ছোট-বড় সব খালে জেলেদের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বন-বিভাগ। মাছের প্রজনন বৃদ্ধির জন্য আগামী জুলাই হতে আগস্ট পর্যন্ত এই দুই মাস জেলেরা বন বিভাগের পক্ষ থেকে চিহ্নিত খালে কোন প্রকার মাছ আহরণ করতে পারবেন না। তবে, এ সময়ের মধ্যে জেলেরা বন বিভাগের অনুমতি সাপেক্ষে নদীতে মাছ আহরণ করতে পারবেন।

বন-বিভাগ-সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছরের জুলাই-আগস্ট মাছের প্রজনন মৌসুম। সুন্দরবনে ছোটবড় ১৩টি নদ-নদীর পাশাপাশি ৪৫০টি খাল প্রবাহিত হয়েছে। এসব নদ-নদী খালে ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ী, ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া, ৪৩ প্রজাতির মালাস্কা ও লবস্টার পাওয়া যায়। 

সুন্দরবন সংলগ্ন মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামের জেলে রবীন্দ্র, অমল ও আয়ুব এবং ডুমুরিয়া গ্রামের আক্কাজ ও জোব্বার সহ অন্যান্য জেলেরা জানান, দুই মাস সুন্দরবনে খালে মাছ ধরায় নিষেধ থাকলেও কোন অসুবিধা হবে না। বড় নদী গুলোতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন বলে জানান জেলেরা।

সাতক্ষীরা সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) জিএম রফিক আহম্মেদ বলেন, 'সুন্দরবনে মাছ আহরণের জন্য অনুমতি গ্রহণের সময় জেলেদের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হবে। মাছের প্রজনন বৃদ্ধিতে নজরদারির জন্য বন-বিভাগের পাশাপাশি সিপিজি, ভিটিআরটি, ওয়ইল্ড টিম ও সুন্দরবন ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়োজিত থাকবে।'

আরও পড়ুন:  'অর্থনৈতিক যুদ্ধ' বন্ধ করুন, ট্রাম্পকে বার্তা ইরানের

সার্বিক বিষয়ে সুন্দরবন পশ্চিম বন-বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) বশিরুল আল মামুন জানান, 'সুন্দরবনে খালে মাছের প্রজনন বৃদ্ধির জন্য দুই মাস মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে জেলেরা যাতে খালে মাছ ধরতে না পারে সেজন্য টহল জোরদার করা হবে।' 

ইত্তেফাক/জেডএইচডি