আওয়ামী লীগই বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ। তিনি বলেন, গত কয়েক বছর কিছু দেশি-বিদেশি স্বার্থান্বেষী মহল ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপপ্রচার চালাচ্ছে, এই ধরনের অপপ্রচার হাস্যকর।
সম্প্রতি চাঁদপুরের কচুয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. সেলিম মাহমুদ এ কথা বলেন।
সেলিম মাহমুদ বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতার হত্যা, ৩রা নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা, ১৯৭৫ থেকে আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা কর্মীকে হত্যা- নির্যাতন- নিপীড়ন এসব সংঘটিত হয়েছে। একুশে আগস্টে শেখ হাসিনাকে হত্যাসহ গোটা আওয়ামী লীগকে নির্মূল করার অপচেষ্টা ও গ্রেনেড হামলায় হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছে। ২০০১ এর পহেলা অক্টোবরের নির্বাচনের পর সারাদেশে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের ওপর হত্যাকাণ্ডসহ চরম নিপীড়ন চালানো হয়েছে। কিবরিয়া, আহসান আলী মাস্টার, বগুড়ার মমতাজ, ছাত্রনেতা অশ্রু সহ অসংখ্য আওয়ামী লীগের নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। এসব ঘটনা শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘনই নয়, এগুলো 'মানবতা বিরোধী অপরাধের' কাছাকাছি। মানবাধিকার ব্যবসায়ীরা যখন আমাদের বিরুদ্ধেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে, তখন বিষয়টি যে কতটা কষ্টদায়ক সেটি বোঝানো যায় না।
কচুয়ার ইউনিয়ন ভিত্তিক উঠান বৈঠক, মত বিনিময় সভা ও উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের সভাপতি ও চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আইয়ুব আলী পাটোয়ারী, কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান হাতেম, কচুয়ার পৌর যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক সালাউদ্দিন সরকার, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আলমগীর তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক সুজন পোদ্দার, কচুয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রাকিবুল হাসান, ১ নং সাচার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনির হোসেন, ২ নং পাথৈর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আক্কাস আলী মোল্লা, ৩ নং বিতারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইসহাক সিকদার, ৪ নং পালাখাল মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিব মজুমদার জয়, ৬ নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন, ৭ নং ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন লিটন, ৯ নং ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব জুয়েল, ১২ নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল মাওলা হেলাল, ৩ নং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কবির হোসেন মজুমদার, ৪ নং পালাখাল ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, সেন্ট্রাল ওমেনস কলেজের প্রিন্সিপাল শফিকুল ইসলাম, পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজের প্রিন্সিপাল নজরুল ইসলাম, পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রী কলেজের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল বিল্লাল মোল্লা, আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুক শামীম, ১১ নং দক্ষিণ গোহট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কামাল পাশা কাজল, ১০নং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বিজন সরকার, আওয়ামী লীগ নেতা সোহাগ মিয়া, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা. মাসুদুর রহমান, যুবলীগ নেতা শাহ আলম প্রধান ও মোস্তফা প্রধান, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বৃন্দ, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃন্দ, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের যুবলীগ নেতৃবৃন্দ। ৩ নম্বর ইউনিয়নের উঠান বৈঠক ও উপহার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করেন ইতালি আওয়ামী লীগের নেতা এই ইউনিয়নের কৃতি সন্তান শফিকুল ইসলাম।
