জাতীয় টেবিল টেনিস দলের সাবেক তারকাদের নিয়ে আয়োজিত টেবিল টেনিস শাওন স্ম্যাশ আপ টেবিল টেনিস টুর্নামেন্ট গতকাল ধানমন্ডির কলাবাগানে ল্যাব এইড আইনিক ভবনে শুরু হয়েছে। রাজধানীর কলাবাগানে ল্যাবএইড আইকনিক ভবনের তিনতলায় আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন জাতীয় দলের তারকা টিটি খেলোয়াড় ও পাঁচ বারের জাতীয় চ্যাম্পিয়ন মানস চৌধুরী, জাতীয় দলের খেলোয়াড় রিফাত মাহমুদ সাব্বির, মাসুদ রানা পরাগ, ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন মুফরাদুল খায়ের হামজা, সাবেক জাতীয় জুনিয়র চ্যাম্পিয়ন ফয়সাল হিমেল খান, জাতীয় দলের সাবেক সিনিয়র খেলোয়াড় রিপন খান, জাতীয় জুনিয়র দলের খেলোয়াড় যুবায়ের আহমেদসহ অনেকে।
ফিউচারস স্পোর্টিং নামের ক্লাবের আয়োজনে এবার সবচেয়ে বড় পরিসরে টেবিলের লড়াইয়ে নেমেছেন খেলোয়াড়রা। শাওন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় এই আসরে অংশ নিচ্ছে—শাওন স্ট্রোম, ধানমন্ডি টিটি ক্লাব, ফিউচারস স্পোর্টিং ক্লাব, উত্তরা টিটি একাডেমি, মিরপুর টিটি একাডেমি, শাওন এভারগ্রিন, মোহাম্মদ আলী ফাইটার্স, এলিটস টিটি ক্লাব, ব্রেইনক্রাফট টিটি ক্লাব, আসাদ টিটি দল, টিম ডার্ক হর্স, লালবাগ লিওপার্ডস। এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে মানস চৌধুরী বলেন, ‘বিগত এত বছরে বেসরকারি উদ্যোগে এমন বড় টুর্নামেন্টে আমি কখনোই অংশগ্রহণ করিনি। সেই হিসেবে এটা আমাদের জন্য অনেক বড় মাপের টুর্নামেন্ট। জাতীয় দলের অধিকাংশ খেলোয়াড় এখানে অংশ নিচ্ছে। আমি নিজেও উৎসাহিত হয়েছি এখানে খেলতে। এমন উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানাই ফিউচারস স্পোর্টিং ক্লাবকে।’
টুর্নামেন্টের প্রাইজমানি ১ লাখ টাকা। চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫০ হাজার ও রানার্স আপ ৩০ হাজার টাকা। এছাড়া সেমিফাইনালিস্ট দুই দলকে দেওয়া হবে ১০ হাজার করে টাকা। ধানমন্ডি কলাবাগান এলাকার শিক্ষার্থী যারা টেবিল টেনিসের প্রতি আগ্রহী তাদের কথা বিবেচনায় এনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে ফিউচারস স্পোর্টিং ক্লাব। প্রতি মাসেই টুর্নামেন্ট হয়। এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সভাপতি ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া সচিব মেজবাহ উদ্দিন।
উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আশরাফ উল হক কাজল, ব্যারিস্টার খালেদ সিদ্দিকী, ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মইনুজ্জামান পিলা, পাঁচ বারের জাতীয় চ্যাম্পিয়ন সোনাম সুলতানা সোমা। এই টুর্নামেন্টের সমন্বয়ক জাতীয় দলের খেলোয়াড় ও সাবেক জাতীয় চ্যাম্পিয়ন জাভেদ আহমেদ বর্তমানে ফিউচারস স্পোর্টিং ক্লাবের প্রধান কোচের দায়িত্বও পালন করছেন। তিনি বলেন, ‘এই টুর্নামেন্টের প্রথম ও একমাত্র লক্ষ্য হলো সব জাতীয় দলের খেলোয়াড়কে এক ছাদের নিচে জড়ো করা। খেলাটাকে এগিয়ে নেওয়া। এই ক্লাবের ৩০ জন খেলোয়াড় বর্তমানে অনুশীলন করছেন। এরা ভবিষ্যতের তারকা খেলোয়াড় হবেন। এরই মধ্যে স্কুল টুর্নামেন্টে ভালো ফল করেছে অনেকে।’ দুই দিনের টুর্নামেন্ট আজই শেষ হবে।
