রগ কেটে হত্যার চেষ্টা, ১০ বছর পর মামলা আমলে নিলেন আদালত

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২৩, ১১:৫০

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পাওনা টাকা চাওয়ার জেরে মো. ইব্রাহিম আহসান শাওন (৩৫) নামের এক যুবককে হাত ও পায়ের রগ কেটে, কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় কলাপাড়ার পৌর কাউন্সিলর জাকি হোসেন জুকু, খায়রুল হাসনাত খালিদসহ  ১০ বিরুদ্ধে করা মামলা আমলে নিয়েছেন আদালত।

এ  ঘটনার ১০ বছর পর ভুক্তভোগী শাওনের দায়ের করা নালিশী মামলা আমলে নিয়ে ওসি, কলাপাড়াকে এজাহার গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। 

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো.মাহবুব মিয়া জানান, সোমবার (১৭ জুলাই) দুপুরে কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশীষ রায়ের আদালত এ আদেশ দেন।

মামলা দায়েরের পর ভুক্তভোগী শাওন বলেন, আমার উপর জুকু-খালিদ বাহিনী যে জঘন্য পৈচাশিকতা চালিয়েছে ১০ বছর পর হলেও আমি এর বিচারের জন্য আদালতে এসেছি। আমি ন্যায় বিচার পেতে সকলের সহযোগীতা চাই।

মামলার আসামি কাউন্সিলর জাকি হোসেন জুকু বলেন, আমি ও আমার ছোট ভাই কাউন্সিলর খালিদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা চক্রান্ত শুরু করেছে। অসৎ উদ্দেশে ১০ বছর আগের  ঘটনার সঙ্গে  আমাদের জড়িয়ে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়, পাওনা টাকা চাওয়ার জেরে ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ সন্ধ্যায় জুকু, খালিদ, বাবু, নাহিদসহ ১০ অস্ত্রসহ শহরের ঝলক ফ্যাশন হাউজের সামনের সড়কে শাওনকে হত্যা চেষ্টা করে। এসময় ধারালো অস্ত্রের দিয়ে কুপিয়ে ওই যুবকের জখম করা হয়। এক পর্যায় শাওনের হাত ও পায়ের রগ কেটে দিয়ে অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণের ফলে মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে তারা। স্থানীয়রা শাওনকে রক্ষার চেষ্টা করলে জুকু-খালিদ বাহিনী অস্ত্র উঁচিয়ে তাদের ধাওয়া করে। এ ঘটনার পর ওই যুবকের বাবা থানায় অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিলে পুরো পরিবারসহ ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

ইত্তেফাক/আরএজে