বার্সাতে অনেক কিছু প্রমাণের রয়েছে গুনডোগানের

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২৩, ১৬:০৪

ম্যানচেস্টার সিটি থেকে সম্প্রতি স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছেন জার্মান মিডফিল্ডার ইল্কায় গুনডোগান। নতুন ক্লাবে এখনো তার  প্রমাণের অনেক কিছু রয়েছে রয়েছে মন্তব্য করেছেন সিটির এই ট্রেবলজয়ী অধিনায়ক।

৩২ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের নেতৃত্বে সিটি গত মৌসুমে ঐতিহাসিক ট্রেবল জয় করেছে। ৫১ ম্যাচে ১১ গোল করে তিনি সিটির এই ট্রেবল জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ফ্রি ট্রান্সফারে দুই বছরের জন্য বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছেন গুনডোগান । তিনি বলেন, ‘আমার বয়স হয়ে গেলেও নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত। এখনো আমার অনেক কিছু প্রমাণের বাকি রয়েছে।’

সোমবার (১৭ জুলাই) বার্সেলোনার অনুশীলন মাঠে গুনডোগানকে সতীর্থদের কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এখন থেকে তিনি বার্সা কোচ জাভির অধীনে খেলবেন। ২০০৮-২০১২ সাল পর্যন্ত বার্সেলোনায় সিটির বর্তমান বস পেপ গার্দিওলার অধীনে খেলেছেন জাভি। ২০০৯ সালে কাতালান জায়ান্টদের  হয়ে স্প্যানিশ ট্রেবলও জয় করেছিলেন।

গুনডোগান বলেন, ‘সিটিতে আমি যেভাবে খেলেছি তার সঙ্গে বার্সেলোনার খেলার স্টাইলে মিল রয়েছে। গার্দিওলা ও জাভি প্রায় একই ধরনের কৌশলে দলকে খেলান। জাভির সাথে প্রথম যেদিন কথা হয়েছে সেদিন থেকে আলাদা একটি যোগাযোগ অনুভব করেছি। আমি যখন তার সঙ্গে কথা বলি তখনই আমার মনে হয়েছে বার্সেলোনা সঠিক পথেই আছে। এটা অসাধারন একটি দল। আমার সামনে সুযোগ এসেছে ভিন্ন একটি দেশে ভিন্ন একটি লিগকে প্রতিনিধিত্ব করার। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ের জন্য সবাই মিলে লড়াই করবো। এই দলের জার্সি পরার আলাদা একটি দায়িত্ব রয়েছে। সম্ভাব্য সব শিরোপা জয়ের জন্য নিজের সেরাটা দেবার চেষ্টা থাকবে।

ম্যানচেস্টার সিটিতে থাকাকালীন অনুর্ধ্ব-১৬ দলের কোচিং করিয়েছেন গুনডোগান। বার্সেলোনার তরুণ মিডফিল্ডারদের উন্নতিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে গুনডোগান জানিয়েছেন দলটির তরুণরা  অনেক প্রতিভাবান। বার্সেলোনার তরুণ দুই মিডফিল্ডার পেড্রি ও গাভি গত দুই মৌসুমে ইউরোপের অনুর্ধ্ব-২১ দলের সেরা খেলোয়াড়েরর পুরস্কার গোল্ডেন বয় ট্রফি জয় করেছেন।

গুনডোগান আরও বলেন, ‘আমি অনেক বেশি অভিজ্ঞতা নিয়ে এখানে খেলতে এসেছি। কারণ আমার জীবন ও ক্যারিয়ার মোটেই সহজ ছিলনা। আমি মনে করি আমার অভিজ্ঞতা বার্সেলোনাকে অনেক সহযোগিতা করবে। এই দলে একঝাঁক তরুণ প্রতিভা রয়েছে যারা আমার থেকেও ভাল করছে। আমি যদি তাদের অন্তত ১ শতাংশ দিতে পারি তবেও দারুন খুশি হবো।’

ইত্তেফাক/এসএস