কুষ্টিয়ায়সহ পাঁচ জেলায় 'আমন ধানের ফলন বৃদ্ধিতে করণীয়' শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) সকালে কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের আওতাধীন কুষ্টিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএডিসি’র সদস্য পরিচালক (বীজ ও উদ্যান) কৃষিবিদ মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (গবেষণা) ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মো. আব্দুল লতিফ ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. আবু হোসেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সরেজমিন উইং এর পরিচালক কৃষিবিদ তাজুল ইসলাম পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলার কৃষি কর্মকর্তা, কৃষক প্রতিনিধি, গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বীজ-সার ডিলার ও মিলারসহ তিন শতাধিক প্রতিনিধি কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ধান গবেষণা আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান দেওয়ান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের প্রধান ড. খোন্দকার মো. ইফতেখারুদ্দৌলা ও কুষ্টিয়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ড. হায়াত মাহমুদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, 'কুষ্টিয়া অঞ্চলে আমনের আবাদ ও ফলন বাড়াতে হবে। উৎপাদন যেন কোনভাবেই হ্রাস না পায় সেদিকে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ধানের উৎপাদন বাড়াতে ব্যর্থ হলে যেকোনো দুর্যোগ-বিপর্যয়ে খাদ্য সংকট দেখা দিলে তা মোকাবিলা কঠিন হবে। ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট উদ্ভাবিত নতুন নতুন জাত, আধুনিক ব্যবস্থাপনা ও সরকারের সঠিক নীতি-কৌশলে দেশে ধানসহ খাদ্য উৎপাদন আগের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।'

হারিয়ে যাচ্ছে মাটির ঘর
কুষ্টিয়া মেডিকেলে ফল প্রকাশের পর নিয়োগ স্থগিত, হতাশা-ক্ষোভ উত্তীর্ণদের