ডুরান্ড কাপ ফুটবল

তিন গোল দেখেই বিরক্ত হয়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন আসলাম

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২৩, ১০:১২

যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পুরোনো সমর্থকদের ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে বাংলাদেশের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার শেখ মো. আসলাম শুনলেন স্টেডিয়ামের ভেতরে ডুরান্ড কাপ ফুটবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে। নিরাপত্তার জিজ্ঞাসা পেরিয়ে ঘেমে চুপচুপে পাঞ্জাবি গায়ে আসলাম ভিভিআইপি বক্সে ডাক পেয়েও সেখানে না গিয়ে ভিআইপি গ্যালারিতে গিয়ে বসলেন। সেখানেও ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবের সমর্থকদের পাল্লায় পড়লেন। 

সৌজন্যতা শেষ করে সিটে বসতে বসতে মোহন বাগান গোল পেয়ে গেল। পর পর তিন গোল দেখে আসলাম স্টেডিয়াম ছেড়ে হোটেলের পথে ছুটলেন। মনটা খারাপ হয়ে গেল। দেখা হওয়ার পর বলছিলেন মোহন বাগানের ফুটবলাররা চাইছে সেনাবাহিনীর ফুটবল দল আমাদের আক্রমণ করুক। ওরা উপরে উঠে আসুন। সেই সুযোগটা কাজে লাগাবে। শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই। মোহন বাগান জুনিয়র দল নিয়ে খেললেও ওদের সঙ্গে পেরে ওঠা কঠিন।’  

গত বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) রাতে কলকাতায় যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপ ফুটবলের উদ্বোধনী খেলায় মোহন বাগান সুপার জায়ান্টের বিপক্ষে ৫-০ গোলে হারের ছবিটা এখনো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফুটবলারদের চোখে ভাসছে। ৫ গোলের একটি গোল হয়েছিল পেনাল্টি থেকে। 

সেদিন রাতে মোহন বাগান-সেনাবাহিনীর ম্যাচ শেষে স্টেডিয়ামের ভিভিআইপি বক্সের নিচে রেফারি রাহুল কুমার গুপ্ত পেনাল্টির প্রশ্নে বলছিলেন, ‘ওটি জেনুইন।’ এর ব্যাখ্যাও দিয়ে দিলেন। তার সারমর্মই হচ্ছে,‘ ফাউল করে না আটকাতে পারলে বিপদ হয়ে যাবে। কারণ সাজানো গোছানো আক্রমণ ছিল, রক্ষণভাগ বুঝতে পারছিল বিপদ হবেই। সেটি থামাতে গিয়ে এ ধরনের জায়গায় বড় কিংবা কঠিন অপরাধ করে ফেলেন ফুটবলাররা। এক কথায় এটি কমিটেড ফাউল।’

মাঝমাঠ রক্ষণ কোনো পজিশনেই এই দলটা পাশ মার্ক পায়নি। এতো বড় টুর্নামেন্ট, প্রথম ম্যাচ। অনেক সময় মহাশক্তিশালী দলও প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারে না। গুছিয়ে উঠতে সময় লাগে। আর সেনাবাহিনীর ফুটবলারদের তো মোহন বাগানের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতাই ছিল না আগে। সল্টলেকের মাঠে মোহন বাগান তাদের সিনিয়র দল মাঠে নামায়নি। তাতেও লাভ হয়নি সেনা ফুটবলারদের। ওদের জন্য এখন আরো একটি কঠিন ম্যাচ আসছে আগামীকাল। ইস্ট বেঙ্গল ক্লাবের বিপক্ষে লড়াই। সেই সল্টলেকের মাঠে খেলা সন্ধ্যা সোয়া ৬টায়।

ইত্তেফাক/এসএস