সহ-স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে। তাদের ব্যর্থতা ঘুচিয়ে আরেক স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ঠিকই উঠে গেছে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে। গতকাল সোমবার (৭ আগস্ট) সিডনি স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর ম্যাচে ইউরোপের দেশ ডেনমার্ককে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ আটে নাম লিখিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা।
গতকাল সোমবার (৭ আগস্ট) তাদের সঙ্গে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন ইংল্যান্ডের মেয়েরাও। ১০ জনের দল নিয়েও ইংলিশরা টাইব্রেকারে নাইজেরিয়াকে হারিয়েছে ৪-২ ব্যবধানে। নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য ড্র থাকার পর খেলা গড়ায় টাইব্রেকার।
অস্ট্রেলিয়ার মেয়েরা এর আগেও তিন বার নারী বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছেন। কিন্তু কোনো বারই শেষ আটের বাধা টপকাতে পারেননি। এবার চতুর্থ বারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে অস্ট্রেলিয়ান মেয়েরা হয়তো নতুন ইতিহাস লেখার স্বপ্নেই বিভোর।
গতকাল ডেনমার্কের বিপক্ষে অজিদের জয়ের নায়ক কেইটলিন ফুর্দ। ম্যাচের ২৯ মিনিটে তিনিই প্রথম এগিয়ে দেন দলকে। ৭০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হেইলি এমা রাসো। তবে ম্যাচ-সেরার পুরস্কারটা উঠেছে মিডফিল্ডার কেইটলিন ফুর্দের হাতেই।
এই নিয়ে চতুর্থ বারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও নারী বিশ্বকাপের নকআউটপর্বে এটা অজি মেয়েদের মাত্র দ্বিতীয় জয়। নকআউটপর্বে এর আগে মাত্র একবারই জয় পেয়েছিলেন তারা, ২০১৫ আসরে। সেবার এই দ্বিতীয় রাউন্ডেই ১-০ গোলে ব্রাজিলকে হারিয়ে শেষ আঠে উঠেছিলেন তারা। তার আগে দুবার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিলেন সরাসরি গ্রুপপর্ব থেকে।
অস্ট্রেলিয়ারই ব্রিসবেনে দিনের অন্য ম্যাচে ইংল্যান্ড ও নাইজেরিয়া প্রাণপণ লড়াই করেছে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ম্যাচে কোনো দলই গোল করতে পারেনি। উলটো ম্যাচের ৮৭ মিনিটে ভয়ংকর এক ফাউল করে সরাসরি লালকার্ড পান ইংল্যান্ডের লরেন জেমস। বল দখলের লড়াইয়ে নাইজেরিয়ার মিচেলে অ্যালোইজিকে মাটিতে ফেলে দেওয়ার পর পিঠের ওপর পাড়া মেরে বসেন লরেন। ভিডিও দেখে তাকে লাল কার্ড দেওয়া হয়েছে। তবে এই সুবিধার ফায়দা তুলতে পারেনি নাইজেরিয়া।
