কাপ্তাই জেটিঘাট এলাকায় কচুরিপানার জঞ্জাল, নৌ চলাচল বন্ধ

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২৩, ০৪:১৫

কাপ্তাই জেটিঘাট এলাকার হ্রদে অতিরিক্ত কচুরিপানার কারণে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। কাপ্তাই-বিলাইছড়ি লাইনে ইঞ্জিনচালিত বোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। কচুরিপানা জঞ্জাল অপসারণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে কাপ্তাই উপজেলার ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র আপস্ট্রিম জেটিঘাট এলাকাসংলগ্ন কাপ্তাই হ্রদে গিয়ে এই দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়। গত এক সপ্তাহ ধরে কাপ্তাই হ্রদে লাগাতার বৃষ্টির ফলে চারদিক থেকে ছুটে আসে কচুরিপানা। কাপ্তাই জেটিঘাট পন্টুনসংলগ্ন এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কাপ্তাই হ্রদে কচুরিপানার বিশাল বহর, যার ফলে গত মঙ্গলবার থেকে কাপ্তাই-বিলাইছড়ি লাইনে ইঞ্জিনচালিত বোট চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বোট-মালিক সমিতির লাইনম্যান শীতল সরকার জানান, বুধবার সকাল ৯টায় একটি ইঞ্জিনচালিত বোট জেটিঘাট থেকে বিলাইছড়ির উদ্দেশে রওনা হয়ে মাঝপথে কচুরিপানার জঞ্জালে আটকে পড়ে। শেষ পর্যন্ত বেলা ১২টার দিকে পন্টুনে ফিরে আসতে হয় বোটটি। কাপ্তাই জেটিঘাট এলাকার মত্স্যচাষি মো. ইউনুস জানান, বিগত এক সপ্তাহ ধরে কাপ্তাই হ্রদ এবং এর আশপাশে লাগাতার বৃষ্টির ফলে পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে চারদিক থেকে ছুটে আসে কচুরিপানার জঞ্জাল। হ্রদের বিভিন্ন এলাকা থেকে কচুরিপানা জেটিঘাট পন্টুন, কার্গো এলাকা, জেলে পাড়া, স মিল, কাপ্তাই বাঁধ, শহীদ শামসুদ্দিন ঘাটসহ জেটিঘাটের আশপাশের এলাকায় এসে জমছে। মৌসুমি ব্যবসায়ী কালাম ও কণা তনচংগ্যা জানান, বিশাল কচুরিপানা জটের ফলে পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎপাদিত ফসল কৃষকরা বাজারে আনতে পারছেন না।

কাপ্তাই উপজেলার ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আবদুল লতিফ বলেন, ‘কচুরিপানা জটের ফলে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ইতোমধ্যে একটি পরিবার হ্রদে আটকে পড়ায় বহু কষ্ট করে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যবস্থাপকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি হ্রদ থেকে কচুরিপানা অপসারণের জন্য।’ ইতোমধ্যে পিডিবি কর্তৃপক্ষ কিছু কচুরিপানা অপসারণ করেছেন। সামনে আরো কিছু অপসারণ করা হবে বলে জানান তিনি।

ইত্তেফাক/এসটিএম