শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

হ্যারি কেইন বায়ার্নে যাচ্ছেন নাকি যাচ্ছেন না!

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৩, ১৪:৪৭

ফুটবলারদের দলবদলের বিষয়টা এমনই। চুক্তির চূড়ান্ত ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কোনো কিছুই যেন নিশ্চিত নয়! হ্যারি কেইনের কথাই ধরুন। আগের দিনই বিশ্ব গণমাধ্যমে খবর ছড়ায়, হ্যারি কেইনের বিষয়ে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের প্রস্তাবে শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছে টটেনহাম। কাজেই বায়ার্নে যাওয়া না যাওয়া, সেই সিদ্ধান্তের ভার হ্যারি কেইনের ওপরই। তো সেই খবরের পিঠে চড়েই খবর এসেছে হ্যারি কেইনও ‘হ্যাঁ’ বলে দিয়েছেন। মানে প্রিয় টটেনহাম ছেড়ে বায়ার্নেই যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু এই খবরের মধ্যেই নতুন আরেক খবর, শেষ মুহূর্তে হ্যারি কেইনের ক্লাব টটেনহাম নাকি আবার বেঁকে বসেছে। তারা নাকি দলের সেরা তারকাকে বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে!

গত জুন থেকেই হ্যারি কেইনকে নিয়ে বায়ার্ন মিউনিখ ও টটেনহামের মধ্যে ‘প্রস্তাব দেওয়া ও প্রত্যাখ্যানের’ খেলা চলছিল। কেইনকে কেনার জন্য বায়ার্ন মিউনিখ এক এক করে তিন তিনটি প্রস্তাব পাঠায় টটেনহামের কাছে। কিন্তু টটেনহামের মালিকপক্ষ হ্যারি কেইনকে ধরে রাখা বা আরও বেশি মূল্য প্রাপ্তির আশায় প্রথম তিন বারই বায়ার্নের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। কিন্তু বারবার ‘না’ শোনার পরও বায়ার্ন হাল ছেড়ে না দিয়ে বরং টাকার অঙ্ক বাড়িয়ে চতুর্থ বারের মতো প্রস্তাব পাঠায়। সর্বশেষ প্রস্তাবটিতে রেকর্ড ১০০ মিলিয়ন ইউরোরও বেশি মূল্যের প্রস্তাব করে বায়ার্ন। ইংলিশ ক্লাব টটেনহামও লোভনীয় সেই প্রস্তাবে ‘হ্যাঁ’ বলে দিয়ে বল ছুড়ে দেয় হ্যারি কেইনের কোর্টে। দুটি স্বার্থের কথা ভেবে হ্যারি কেইনও বায়ার্নে যেতে রাজি হয়েছেন বলেই খবর ছড়ায়।

১০০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি ট্রান্সফার প্রস্তাবের পাশাপাশি হ্যারি কেইনকেও লোভনীয় বেতনের প্রস্তাব করে বায়ার্ন। তারা কেইনকে বার্ষিক আড়াই কোটি ইউরো পারিশ্রমিক দেওয়ার প্রস্তাব করে। হ্যারি কেইন টটেনহামে যে বেতন-ভাতা পান, বায়ার্নের প্রস্তাবিত অঙ্কটা তার প্রায় দ্বিগুণ। তাছাড়া টটেনহামের হয়ে এখনো পর্যন্ত লিগ শিরোপা জিততে পারেননি হ্যারি কেইন। টটেনহামে থাকলে অদূর ভবিষ্যতেও তা জিততে পারবেন বলে মনে হয় না। অন্যদিকে বায়ার্নে যাওয়া মানেই লিগ শিরোপার স্বাদ পাওয়ার বিষয়টি এক রকম নিশ্চিত। বিশাল অঙ্কের পারিশ্রমিক আর লিগ শিরোপা জয়ের আশাতেই হয়তো হ্যারি কেইন বায়ার্নকে ‘হ্যাঁ’ বলে দিয়েছেন।

ইত্তেফাক/জেডএইচ