বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আমার আব্বা মোসলেম উদ্দিনকেই পাশে পেয়েছিলেন: চিফ হুইপ

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২৩, ০৯:২৯

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী বলেছেন, আমার পরিবার ভারতের বর্ডার পাড় হয়ে যাওয়ার পর শিবচরে যে মানুষটিকে আমার পরিবার প্রথম পেয়েছে তিনি হলেন মোসলেম উদ্দিন খান। তাকেই আমার পিতা দায়িত্ব দিয়েছিলেন বর্ডার থেকে আমাদের নেয়ার জন্য। ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে আমার আব্বার নামে যখন হুলিয়া জারি করা হয় তখন আব্বা বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে বেড়াতেন সেই সময় একমাত্র মোসলেম চাচাকেই আব্বা সাথে রাখতেন। 

শনিবার (১২ আগস্ট) শিবচর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত দলীয় কার্যালয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোসলেম উদ্দিন খানের স্মরণে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

চিফ হুইপ বলেন, মোসলেম উদ্দিন চাচা আব্বাকে সব সময় সঙ্গ দিয়েছেন। আমার আব্বার মৃত্যুর পর রাজনীতি, ব্যবসা বাণিজ্য সব দিকে মোসলেম চাচা এবং শাজাহান মোল্লা আমাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। শিবচর পৌরসভা যখন গঠন হয় তখন শিবচরের সকল নেতা এক বাক্যে তাকে প্রথম প্রশাসকের দায়ীত্ব দিতে প্রস্তাব করেছিল। তাই প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়েছিলাম। 

এসময় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনির চৌধুরী, শিবচর উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ লতিফ মোল্লা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মো. শাজাহান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. সেলিম, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. তোফাজ্জেল হোসেন খান তোতাসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য, মুক্তিযুদ্ধকালীন ৭ থানা এরিয়া কমান্ডার, শিবচর উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য এবং শিবচর পৌরসভার প্রথম প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোসলেম উদ্দিন খান গত সোমবার সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

ইত্তেফাক/এমএএম