জর্জিয়া নির্বাচনে হস্তক্ষেপের মামলায় আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই পুলিশি হেফাজতে আসতে হবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং অন্যান্য সন্দেহভাজনদের। স্থানীয় ফৌজদারি আদালতে হাজিরা দিতে আসার সময় কুখ্যাত ফুলটন কারাগারে তাদের কয়েক ঘণ্টা কাটাতে হবে।
তবে ট্রাম্পকে এর আগেই স্বেচ্ছায় ফুলটন কারাগারে কাটানো উচিত বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় শেরিফ। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ট্রাম্পকে স্বেচ্ছায় ফুলটন কাউন্টি কারাগারে উপস্থিত হওয়া উচিত। সেখানেই তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হবে।
শেরিফের বরাত দিয়ে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘এই মুহুর্তে, জেলা অ্যাটর্নির অফিস এবং প্রিজাইডিং বিচারকের কাছ থেকে প্রাপ্ত নির্দেশনার ভিত্তিতে আশা করা হচ্ছে যে অভিযুক্ত ১৯ আসামীর নামে রাইস স্ট্রিট জেলে মামলা করা হবে।’
সন্দেহভাজনদের আনুষ্ঠানিক গ্রেপ্তার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তাদের তল্লাশি করা হবে, আঙুলের ছাপ এবং মুখের ছবি নেওয়া হবে।
ফুলটন কাউন্টি জেলা অ্যাটর্নি ফানি উইলিস এর আগে বলেছিলেন, ট্রাম্প এবং অন্যান্য সন্দেহভাজনদের ২৫ আগস্টের পরে আত্মসমর্পণ করতে হবে। এর পরে তারা প্রাথমিক আদালতে কবে উপস্থিত হবেন তা জানা যাবে। তারিখ নির্ধারণ করতে হবে বিচারককে।
শেরিফের অফিস বলেছে, ‘মনে রাখবেন, আসামিরা যে কোনো সময় নিজেরাই জেলে ঢুকতে পারবেন। জেল ২৪/৭ খোলা থাকে।’
ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার বেশ কয়েকজন আইনজীবী, সহকারী, তার প্রচারাভিযানের সদর দপ্তরের কর্মী এবং স্থানীয় রিপাবলিকান দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় তারা ফলাফল পর্যালোচনার চেষ্টা করেছিলেন। সোমবার জর্জিয়া রাজ্যের গ্র্যান্ড জুরি তাদের এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করেন।
প্রকৃতপক্ষে তাদেরকে সিন্ডিকেট গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল উল্টানোর চেষ্টার সন্দেহ করা হয়েছিল। জর্জিয়ায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগে কমপক্ষে ২০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে বিচার শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
