উন্নয়ন সহ্য করতে না পেরে ষড়যন্ত্রে নেমেছে দেশি-বিদেশি অপশক্তি: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৩, ২০:৫২

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, গণতন্ত্র ও উন্নয়নকে সহ্য করতে না পেরে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে নেমেছে অপশক্তিগুলো। বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন তুলে শেখ হাসিনা বলেন, যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে তারা মানুষ কি না?

বুধবার (১৬ আগস্ট) বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধুর ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণসভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

বক্তব্য দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: ফোকাস বাংলা

শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধ ও মহামারীর মধ্যেও উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে আওয়ামী লীগ সরকার। এছাড়া কেনা গোলামদের ক্ষমতায় বসানোর ষড়যন্ত্রের বিষয়ে জনগণকে সর্তক থাকার নির্দেশ দেন। এবং সঠিক জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেন। 

ছবি: ফোকাস বাংলা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ আগস্ট জাতির জীবনে সবচেয়ে কলঙ্কজনক অধ্যায়। স্বাধীন বাংলাদেশে সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা। সেদিন ঘাতকের বুলেটে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সবাইকে হত্যা করা হয়। ইতিহাসে এই ধরনের জঘন্য ঘটনা বাংলার মাটিতে ঘটে যায়। এটি সেই কারবালার ঘটনাকেও হার মানায়।

বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর জয় বাংলা স্লোগান ও ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করা হয় জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ঘাতকরা ইতিহাস বিকৃত করে। যে জয় বাংলা স্লোগানে দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল, সেই স্লোগান নিষিদ্ধ করে দেয়। অথচ এই ঘাতকরা আমাদের বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া করেছে, ঘুমিয়েছে। আবার তারাই বেঈমানি করেছে।’

জিয়াউর রহমান মানুষের ভোট, ভাত ও কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তখন মতপ্রকাশের কোনো স্বাধীনতা ছিল না। একটা মাত্র রেডিও ও হাতে গোনা কয়েকটি পত্রিকা সব তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ক্ষমতায় এসে সেনাবাহিনীর হাজারো সৈনিককে নির্মমভাবে হত্যা করেছে জিয়াউর রহমান। একটা করে ক্যু করেছে, আর হত্যা করেছে। তাদের বিচারও হয়নি। সরাসরি ফাঁসি হয়েছে। এমনও দিন গেছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে একই সঙ্গে ১০ জন করে ফাঁসি দেয়া হয়েছে। সারা দেশের কারাগারে এমন হয়েছে। সবাইকে যে ফাঁসি দিয়েছে এমন নয়, কাউকে কাউকে ফায়ারিং স্কোয়াডে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছে।
ইত্তেফাক/পিও