টিটির দল গঠনে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৩, ০২:০০

টেবিল টেনিসে জাতীয় দল গঠনে অনিয়মের অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ টেবিল টেনিস খেলোয়াড় সমিতি। ৩-১০ সেপ্টেম্বর কোরিয়ায় এশিয়ান টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ দল গঠনে অনিয়ম করা হয়েছে অভিযোগ আনা হয়েছে। জাতীয় দলের চার জন সিনিয়র খেলোয়াড় নেওয়ার নিয়ম ভেঙে চতুর্থ খেলোয়াড়ের জায়গায় এক জন জুনিয়র নেওয়া হয়েছে। বাদ দেওয়া হয়েছে র‌্যাংকিংয়ে চতুর্থ স্থানে থাকা খেলোয়াড় জাভেদ আহমেদকে। 

আর এই অভিযোগে গতকাল দুপুরে বিওএ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে টিটি খেলোয়াড় সমিতি। তাদের সব অভিযোগ ফেডারেশন সহসভাপতি  খোন্দকার হাসান মুনির সুমনের প্রতি। এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাসান মুনির। অভিযোগ অস্বীকার করে একটি ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে তিনি বলেন, ‘দল গঠনে যে কথা বলা হয়েছে সম্পূর্ণ ভুল। বলা আছে এক থেকে তিনের মধ্যে যারা থাকবে তারাই যাবে। মেয়েদের বেলাও তাই হয়েছে। আগেও এ নিয়ম ছিল।’  মুনির জানিয়েছেন, দল গঠনে তার কোনো হাত নেই। এটার জন্য পৃথক কমিটি রয়েছে। তারাই মানদণ্ড নির্ধারণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন মাহবুব বিল্লাহ, মৌমিতা আলম রুমি, জাভেদ আহমেদ, মাসুদ রানা পরাগ, মুফরাদুল খায়ের হামজা, অন্তু হোসেন জয়, ফয়সাল হিমেল এবং খেলোয়াড় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রিপন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। রিপন জানিয়েছেন, টিটি ফেডারেশনে যে সব অনিয়ম হয় তা যদি নিরসন করা হয় তাহলে মানববন্ধন করবেন। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কাছেও যাবেন। জাতীয় দলের আরেক তারকা খেলোয়াড় মানস চৌধুরী চট্টগ্রাম থেকে ফেডারেশনের অনিয়মের ব্যাপারে ভয়েস পাঠান। সেটি সংবাদ সম্মেলনে শোনানো হয়।

জাতীয় দল গঠনে স্বজনপ্রীতি করা হয়, জাভেদকে জাতীয় দলের খেলার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে, অনুশীলন ক্যাম্পে বিভাজন তৈরি করা হয়। খেয়াল খুশিমতো ফিকশ্চার বদলে ফেলা, নিজের পছন্দমতো দলগুলোকে সুবিধা দেওয়া, সিনিয়র জুনিয়র খেলোয়াড়দের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি করা, ক্লাবের খেলোয়াড়দের ঠিকমতো পারিশ্রমিক না দেওয়া,  খেলায় হেরে গেলে খেলোয়াড়ের গায়ে হাত তোলাসহ অসংখ্য অভিযোগ আনা হয়েছে। মানস চৌধুরী বলেন, ‘হাসান মুনির হচ্ছেন জি বাংলা সিরিয়ালের নেগেটিভ চরিত্রের লোক। আমাদের টিটির জন্য একটা অভিশাপ।’ আর খেলোয়াড় সমিতি বলেছে, হাসান মুনির দেশের ক্রীড়াঙ্গনের করোনা ভাইরাস। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে খেলোয়াড়দের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করছেন। তিনি একাই কিছু ক্লাব তৈরি করে ফেডারেশনকে নিজের পকেটে তুলে নিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্তু হোসেন জয় বলেন, ‘আমি খেলায় হেরে গিয়েছিলাম বলে আমাকে সবার সামনে চড় মেরেছিল। আমাকে পারিশ্রমিকটাও ঠিকমতো দেয়নি।’

ইত্তেফাক/এমএএম