নড়াইল সদর থানার শিমুলিয়া গ্রামে ফুফুর পরকীয়ায় বাঁধা দেওয়ায় ভাতিজা রেজাউল ইসলামকে (২২) পিটিয়ে হত্যার অফিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পার্শ্ববর্তী যশোর জেলার অভয়নগর থানার কাংকুল গ্রামের বাছের মোল্লাকে (৫০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহত রেজাউল সদর থানার কলোড়া ইউনিয়নের শিমুলিয়া গ্রামের রাবুল মোল্লার ছেলে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নিহত রেজাউল ইসলামের ফুফু রুকি বেগমের (৪০) সঙ্গে পার্শ্ববর্তী কাংকুল গ্রামের সোনা মোল্লার ছেলে বাছের মোল্লার (৫০) দীর্ঘদিন ধরে প্রেমর সম্পর্ক চলে আসছিলো। বুধবার (২৬ জুন) রাত ৯টার দিকে বাছের গোপনে রুকি বেগমের সঙ্গে দেখা করতে আসে। এ সময় রুকি বেগমের স্বামী সন্তান বাড়িতে ছিল না। বিষয়টি টের পেয়ে বাছেরকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বলেন রেজাউল। এ সময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বাছের লাঠি দিয়ে রেজাউলের মাথায় আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: তদন্তে গিয়ে অভিযুক্তদের ধারালো অস্ত্রের কোপে জখম পুলিশের এএসআই
বিষয়টি নিশ্চিত করে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াছ হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাতেই স্থানীয় বিছালী পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা বাছেরকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় বাছেরসহ দুজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে।
ইত্তেফাক
