বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

চন্দ্রাবতী সাহিত্য পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে কবি কামাল চৌধুরী

‘আগামী দিনেও বিদগ্ধজনদের হাতে এই পুরস্কার শোভা পাক’

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২৩, ১৪:৫৩

দেশের শীর্ষ স্থানীয় পাঁচ লেখককে গতকাল শুক্রবার (৬ অক্টোবর) চন্দ্রাবতী সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিকেল চারটায় শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত কবি কামাল চৌধুরী। অধ্যাপক রফিকউল্লাহ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি আসাদ মান্নান ও কবি-গবেষক শিহাব শাহরিয়ার।

প্রথমবারের মতো এই পুরস্কার পেয়েছেন শিশুসাহিত্যিক ফারুক নওয়াজ, কবি, নাট্যকার, কবিতায় সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল, কথাসাহিত্যে আকিমুন রহমান, প্রাবন্ধিক সরকার আব্দুল মান্নান, গবেষক সালিম সাবরিন। এছাড়া, চন্দ্রাবতীর বিশেষ সম্মাননা পান কলকাতার নজরুল গবেষক সোমঋতা মল্লিক।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই সদ্য প্রয়াত কবি আসাদ চৌধুরীর স্মরণে এক মিনিট বিরবতা পালন করা হয়।

ছবি: ইত্তেফাক

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কামাল চৌধুরী বলেন, চন্দ্রাবতী পুরস্কার অব্যাহত থাকুক ও এবারের মতো আগামী দিনেও বিদগ্ধজনদের হাতে এই পুরস্কার শোভা পাক।

কবি আসাদ মান্নান বলেন, পুরস্কারে ভূষিত পাঁচজনই বর্তমান বাংলা সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ লেখক। এই পুরস্কার ভবিষ্যতে সাহিত্যে বিশেষ স্থান অর্জন করুন।

কবি শিহাব শাহরিয়ার বলেন, বাংলাদেশে পুরস্কার যখন মর্যাদা হারাচ্ছে, সেখান শুরুতেই চন্দ্রাবতী সবার চোখ খুলে দিলো। ঢাকার বাইরে থেকেও যে প্রকৃত লেখকদের মূল্যায়ন খরা যায়, আজকের অনুষ্ঠানটি তারই উজ্জ্বল প্রমাণ।

সভাপতি রফিকউল্লাহ খান বলেন, অহনা নাসরিন ময়মনসিংহ থেকে ঢাকায় এসে চন্দ্রবতী পুরস্কৃত প্রদান করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। যাঁরা পুরস্কৃত হয়েছেন, তারা সবাই জাতীয় পর্যায়ের লেখক। কবি সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল আমার বন্ধু বলে বলছি না, তার কবিতা শুরু থেকেই শক্তিশালী, এখন আরো সমৃদ্ধ বহুমাত্রিক। আকিমুন রহমানও গুরুত্বপূর্ণ কথাশিল্পী।

আলোচকরা পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের সৃজনশীলতা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ও সমকালীন সাহিত্যের পরিপ্রেক্ষ আলোচনা করেন। এ সময় পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকরাও বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল কানাডা থেকে অনলাইনে যুক্ত হন।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের নিয়ে বক্তব্য রাখেন আনন গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আনন্দ প্রকাশনীর কর্ণধার কবি  স ম শামসুল আলম, জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক বাংলা একাডেমির উপপরিচালক মনি হায়দার, বোধিদ্রুম পাঠচক্রের প্রতিষ্ঠাতা গল্পকার মোহাম্মদ আলী, জাতীয় সাহিত্য ফাউন্ডেশনের সভাপতি কবি মির্জা হজরত সাঈজি, কবি ও সংগঠক স্বাধীন চৌধুরী। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন কবি ও বাচিকশল্পী মনিরুজ্জামান পলাশ ও জিনিয়া ফেরদৌস রুনা।

ইত্তেফাক/এইচএ