ষাটের দশকে নায়ক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মুম্বাইতে এসেছিলেন অমিতাভ। সেই সময় খেয়ে-না খেয়ে দিন কেটেছে তার। কখনও মুম্বাইয়ের মেরিন ড্রাইভের বেঞ্চে শুয়ে কেটেছে রাত। এখনো এই পথ দিয়ে গাড়িতে যাওয়ার সময় সেই বেঞ্চগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকেন অমিতাভ। ছবি: সংগৃহীত
‘সাত হিন্দুস্তানি’ দিয়ে সিনেমায় অভিনয় করার স্বপ্ন পূরন করেছিলেন তিনি। সিনেমাটি ছিল সাদাকালো। আর এটিই অমিতাভের একমাত্র সাদাকালো সিনেমা। এই সিনেমার জন্য মাত্র এক হাজার রুপি পারিশ্রমিক পান অমিতাভ। ছবি: সংগৃহীত
প্রথম সিনেমার পর যেন হারিয়ে যান। অমিতাভের পরের এক ডজন সিনেমাই ফ্লপ। তার নাম হয়ে যায় ‘ফ্লপ হিরো’। এরপর ১৯৭৩ সালে সুপরহিট হয় ‘জঞ্জির’। এই সিনেমা দিয়ে ফ্লপ হিরো থেকে বনে যান সুপারস্টার। আর এখন তিনি বলিউডের শাহেনশাহ। ছবি: সংগৃহীত
১৯৮৩ সালে ‘কুলি’ ছবির শুটিংয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনার কবলে পড়েন অমিতাভ। কাকতালীয় হলো, এর আগে সিনেমার নায়িকা স্মিতা পাতিল তাকে নিয়ে দুঃস্বপ্ন দেখেন। ছবি: সংগৃহীত
বলিউডের অন্য যে কোন তারকার চেয়ে অমিতাভ অধিকবার দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘মহান’ ছবিতে একসঙ্গে তিনটি চরিত্রে দেখা গেছে তাকে। ছবি: সংগৃহীত
অনেকে মনে করেন, পর্দায় তার প্রিয় নাম হল ‘বিজয়’। বিশটিরও বেশি ছবিতে বিজয় নামের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ছবি: সংগৃহীত
১৯৯৭ সালে ‘মৃত্যুদাতা’ সিনেমা মুক্তির পর ‘বিগ বি’ উপাধি পান অমিতাভ। ছবি: সংগৃহীত
অমিতাভ হাঁপানির রোগী। এছাড়া মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস নামে তার একটি বিরল পেশীবহুল ব্যাধি রয়েছে। যক্ষ্মারোগেও আক্রান্ত হয়েছিলেন অমিতাভ। কিন্তু আট বছর তা টের পাননি তিনি। অমিতাভ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যক্ষ্মা ও হেপাটাইটিস বি থেকে সেরে উঠেছি। আমার যকৃতের ৭৫ শতাংশই অকেজো। তবুও বেঁচে আছি।’ ছবি: সংগৃহীত
অমিতাভ একজন সব্যসাচী, তিনি দুই হাতেই ভালো লিখতে পারেন। স্কুলে পড়াশোনার সময় বক্সার হিসেবে সুনাম ছিল অমিতাভের। পর্দায় ও বক্সার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ছবি: সংগৃহীত