সিআইবির ডেটা এন্ট্রি করবে ব্যাংকের শাখা

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২৩, ০৫:০০

ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) ডেটা এন্ট্রির দায়িত্ব ব্যাংকগুলোর শাখার কাছে দেওয়া হয়েছে। এর আগে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে ডেটা এন্ট্রি দেওয়া হতো। তবে ডেটাবেজ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মেজবাউল হক বলেন, আগে ব্যাংকগুলোর শাখা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রধান কার্যালয়ে পাঠাত। এরপর প্রধান কার্যালয় সব তথ্য একত্র করে অনলাইনে সাবমিট করত। পাশাপাশি একটি হার্ড কপি বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাত। প্রতি মাসের ১০ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে এই কাজটি করতে হতো। ব্যাংকগুলোর আপলোড করা তথ্যের সঙ্গে হার্ড কপি মিলিয়ে দেখে তারপর আমরা সিস্টেমে আপ করতাম। এতে দেড় থেকে দুই মাসের মতো সময়ের প্রয়োজন পড়ত। তাই এখন থেকে রিয়েল টাইম তথ্য সংগ্রহ করতে শাখাগুলোর ওপর দায়িত্ব দেওয়া হলো।

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান খেলাপি হয়েছেন, তিনি হয়তো দুই মাসের মধ্যেই অর্থ পরিশোধ করেছেন। আবার এই দুই মাসের মধ্যেই অনেকে খেলাপি হচ্ছেন। আগের নিয়মে এই সময়ের মধ্যে তাদের সিআইবি রিপোর্ট আপডেট হচ্ছিল না। এই কারণেই আমরা মনে করেছি, এটাকে রিয়েল টাইম করার একটা সুযোগ আছে।

বেনামি ঋণের তথ্য সিআইবিতে থাকবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, এধরনের ঋণের তথ্য সিআইবি ডেটাবেজের পক্ষে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে না। কারণ শুধু তথ্য সংগ্রহ করার দায়িত্ব সিআইবির। কোন কোন ব্যাংকে ঋণ আছে এবং ঋণের ধরন সম্পর্কে এর মাধ্যমে জানা যাবে। তিনি আরও বলেন, যে কোনো আইটি সিস্টেমে ডেটা একবার আপলোড করলে ট্র্যাক রেকর্ড থাকে। পরে আপলোড করা তথ্যেরও রেকর্ড থাকে। এরপরও কেউ যদি ভুল তথ্য উপস্থাপন করে, তাহলে আমরা কিছু জায়গা চেক করি। তারপর কোনো ভুল পেলে সেটার বিরুদ্ধে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। ঋণ নেওয়া থেকে পরিশোধ করার সমস্ত তথ্যই সিআইবি ডেটাবেজে থাকবে। কেউ যদি ঋণ দীর্ঘদিন পরিশোধ না করে এবং তাকে যদি শ্রেণিকৃত করা না হয় তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেমে সেটি ধরা পড়বে। এসব বিষয় আগেও ছিল, আর বর্তমানেও একই প্রক্রিয়ায় লিপিবদ্ধ হবে।

ইত্তেফাক/এমএএম