রাজবাড়ীর পাংশা ও কুমিল্লার মুরাদনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে। গত মঙ্গল ও গতকাল বুধবার এসব দুর্ঘটনা ঘটে। আমাদের সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।
পাংশা (রাজবাড়ী): পাংশায় পৃথক দুর্ঘটনায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে হেনা মোড় ও মৈশালা এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, কালুখালী থেকে ইঞ্জিনচালিত নসিমনে ১৩ জন লালনভক্ত কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় লালনের আখড়াবাড়িতে যাচ্ছিলেন। রাত সোয়া ১০টার দিকে পাংশার হেনা মোড় এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে অজ্ঞাত একটি গাড়ি নসিমনকে ধাক্কা দেয়। এ সময় বিল্লাল হোসেন ও প্রশান্ত বিশ্বাস গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিল্লাল হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রশান্ত বিশ্বাসের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে রাত ৯টার দিকে পাংশার মৈশালা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. আজিজ মণ্ডলের মৃত্যু হয়। পাংশা হাইওয়ে থানার ওসি এ এস এম আসাদুজ্জামান বলেন, পৃথক সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়ে পাংশা হাইওয়ে থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মুরাদনগর (কুমিল্লা): মুরাদনগর উপজেলায় অটোরিকশার ধাক্কায় এক মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম সামিয়া আক্তার (৮)। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলার মুরাদনগর-হোমনা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সামিয়া আক্তার ফরিদপুরের ইলিয়াছ হোসেনের মেয়ে। সে মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল নানার বাড়ি এবং মুরাদনগর সদরের হাসেম মিয়ার ছেলে খালু ফারুক মিয়ার বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করত।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল বারী ইবনে জলিল বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় এনেছে। সামিয়ার পরিবারের লোকজন চট্টগ্রামে থাকে। তারা এলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
