বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

৩৪ দিনের বাছাই শেষে রাবি ছাত্রলীগের নেতৃত্বে 'বিতর্কিতরা' 

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৩, ১২:২৪

প্রায় সাত বছর পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ২৬তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (২১ অক্টোবর) রাতে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শাখাটির ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। 

বর্তমান কমিটিতে আঞ্চলিকতাকে প্রাধান্য না দিলেও শীর্ষ দুই পদসহ গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে স্থান পেয়েছে অছাত্র, বিবাহিত, ড্রপআউট, শিক্ষার্থী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপকর্মে ‘বিতর্কিত’ ও হঠাৎ সক্রিয় নেতারা এমন অভিযোগ রয়েছে। 

কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন গত কমিটির গণযোগাযোগ ও উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবু এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন গত কমিটির প্রশিক্ষণ সম্পাদক আসাদুল্লা হিল গালিব।


ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, সভাপতি মো. মুস্তাফিজুর রহমান বাবু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ২০১৮ সালে স্নাতক এবং পরের বছর স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন বাবু। ছাত্রত্ব ধরে রাখতে বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব আদার ল্যাংগুয়েজেজ-এ ভর্তি আছেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন যাবত ক্যাম্পাস রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না। সম্মেলনকে ঘিরে হঠাৎ সক্রিয় হয়েছেন তিনি। এছাড়া বিতর্কিতদের নিয়ে নিয়মিত মিটিং মিছিল ও শোডাউন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ-হিল-গালিব। তিনি রাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ২০১৪-১৫ সেশনে প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছিলেন। প্রথম বর্ষে কৃতকার্য হয়ে দ্বিতীয় বর্ষে উঠলেও দ্বিতীয় বর্ষ টপকাতে পারেননি গালিব। এ সময় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে একাডেমিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ড্রপআউট হন গালিব। 

তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষ পদ পেতে ঢাকার উত্তরার ১৫ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত ‘অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ থেকে বিবিএ পাসের জাল সনদপত্র (রেজিস্ট্রেশন নম্বর-৭৭-০০১৩-১২৪) বানিয়ে রাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হন।

তবে, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামরান চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, গালিব ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেননি। এমনকি ৭৭-০০১৩-১২৪ রেজিস্ট্রেশন নম্বরে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সার্টিফিকেটটি জমা দিয়ে গালিব সাংবাদিকতা বিভাগের সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হয়েছে সেটি ভুয়া। এ ছাড়াও গালিবের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অভিযোগও রয়েছে।

নতুন কমিটির ২০ জন সহসভাপতি হলেন মো. মেজবাহুল ইসলাম, শাহিনুল ইসলাম সরকার ডন, জাকিরুল ইসলাম জ্যাক, মো. মঈনউদ্দিন রাহাত, মো. মেহেদী হাসান মিশু, মেহেদী হাসান তায়েব, মো. মামুন শেখ, মো. নূর সালাম, আলতাফ সায়েম জেমস, আশিকুর রহমান আশিক, তাওহীদুল ইসলাম দুর্জয়, আল আমিন মো. তানভীর, তামান্না আক্তার তন্বী, আবুল বাশার আহম্মেদ, জান্নাতুল নাঈমা আকন্দ জানা, সামিউল আলম সোহাগ, মো. মোমিন ইসলাম, শাখাওয়াত হোসেন শাকিল, মো. জুয়েল হোসেন এবং মনু চন্দ্র মোহন দেব বর্মন। 

৮ জন যুগ্ম-সম্পাদক হলেন ভাস্কর সাহা, মো. নাঈম আলী, নিয়াজ মোর্শেদ, মো. আশিকুর রহমান অপু, আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বদেশ, তাজরিন আহমেদ মেধা, সাদেকুল ইসলাম সাদিক ও মো. শামীম হোসেন। 

৯ জন সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন মো. কাব্বিরুজ্জামান রুহুল, আল মুক্তাদির তরঙ্গ, প্রিয়াংকা সেন মৌ, ইমরান হোসেন, বুলবুল জোয়ার্দার, মো. জুবায়ের হাসান, নাশরাত আর্শিয়ানা ঐশী, জাহিদ হাসান সোহাগ এবং মো. কাইয়ুম মিয়া।

কমিটির সহসভাপতি মো. মেজবাহুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ২০১৯ সালে অনার্স এবং পরের বছর মাস্টার্স শেষ করেন। এরপর ছাত্রত্ব ধরে রাখতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংলিশ অ্যান্ড আদার ল্যাংগুয়েজ এর ইংলিশ ভাষা শিক্ষা কোর্সে ভর্তি আছে বলে অভিযোগ আছে। এছাড়া তার পরিবার বিএনপি-জামায়াতপন্থি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে ক্যাস্পাসে প্রচার আছে।

সহ-সভাপতি শাহিনুল ইসলাম সরকার ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগে ভর্তি হন ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে। ২০১৬ সালে অনার্স এবং ২০১৮ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করে ছাত্রত্ব টিকিয়ে রাখতে ইংলিশ অ্যান্ড আদার ল্যাংগুয়েজের জার্মান ভাষার শর্ট কোর্সে ভর্তি রয়েছেন তিনি।

আরেক সহসভাপতি মেহেদী হাসান মিশুও ড্রপআউট হয়ে ছাত্রত্ব হারিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সিট বাণিজ্য, দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৯ সালে এক শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনে নাফিউল ইসলাম জীবন নামের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

সহসভাপতি আলফাত সায়েম জেমস এর নামে হলকক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চুরি, বরাদ্দকৃত সিটে না থাকতে দেওয়া ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তার নামে সিট বাণিজ্যেও অভিযোগ রয়েছে।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী তাওহীদুল ইসলাম দূর্জয়। এই বিভাগ থেকে অনার্স শেষ করেছেন তিনি। কিন্তু ছাত্রত্ব ধরে রাখতে এখনো মাস্টার্স শেষ করেননি। তার বিরুদ্ধে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরোধী রাজনীতি করে সাংগঠনিক দুর্বলতা তৈরির অভিযোগ রয়েছে।

তামান্না আক্তার তন্নী বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্রকলা প্রাচ্যকলা ও ছাঁপচিত্র বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী। তার মাস্টার্সের পরীক্ষা শেষ হয়েছে ১৮ মাস আগে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়মিত শিক্ষার্থী হওয়ায় তাকে নিজের দখলে রাখা সিট ছাড়ার নির্দেশ দেওয়ায় কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের রহমতুন্নেসা হলের গেটে তালা মেরে দেন এই ছাত্রলীগ নেত্রীর অনুসারীরা।

আরেক সহসভাপতি মো. মোমিন ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন । তার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারীকে পিটিয়ে টাকা ছিনিয়ে নেয়া এবং হল থেকে বৈধ শিক্ষার্থীকে বের করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর সাহা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী। তার বিরুদ্ধে অর্থনীতি বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে রুমে ডেকে গলায় ছুরি ধরে সাথে থাকা আনুমানিক ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সাংবাদিকদের জানাতে চাইলে তাকে রড ও স্ট্যাম্প দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে ওই শিক্ষার্থীর কানের পর্দা ফেটে যায়। এরপরও এই বিষয়টি কাউকে জানালে আবরারের যে অবস্থা হয়েছে সেই অবস্থা হবে বলে হুমকি দেয়া হয়।

আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাইম আলীর বিরুদ্ধে দলীয় কর্মসূচিতে না যাওয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর বিছানাপত্র নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও শিক্ষার্থী কৃষ্ণ রায়কে নির্যাতনের পর মেরে ‘শিবির’ বলে চালিয়ে দেওয়ার হুমকির ঘটনায় তদন্তে এই ছাত্রলীগ নেতার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তার ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।

সাংগঠনিক সম্পাদক নাশরাত আর্শিয়ানা ঐশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের ২৮৮ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তবে তার নামে ডাবল সিটের কক্ষে একা থাকাসহ রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে হলের নিয়ম-নীতি না মানার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় তার কক্ষে তালা ঝুঁলিয়ে দেয় হল প্রশাসন।

এছাড়া নতুন কমিটির বেশিরভাগই ছাত্রত্ব হারিয়ে এখন সান্ধ্যকালীন কোর্সধারী। সিট বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, শিক্ষার্থী নির্যাতন, মাদক ব্যবসায়, দলীয় কোন্দল সহ নানা অভিযোগ রয়েছে তাদের অনেকের বিরুদ্ধে।

এই কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে গতকাল সকাল ১০ টা থেকে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পিছনে দলীয় ট্রেন্টে অবস্থান নেন এবং নতুন সভাপতি ও সম্পাদককে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ না করার হুশিয়ারি দেন। তাছাড়াও বিক্ষোভ, মিছিল, শোডাউন, ভাংচুর ও হতাহতের ঘটনা ঘটিয়েছে পদবঞ্চিত ও আশানুরূপ পদ না পাওয়া নেতারা। ছাত্রলীগের কমিটিকে ঘিরে এখনো থমথমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। 

পদবঞ্চিত ও আশানুরূপ পদ না পাওয়া নেতাদের অভিযোগ, এই কমিটি অছাত্র, বিতর্কিত, বিবাহিত, নিষ্ক্রিয়দের দিয়ে গঠিত এবং এ কমিটির মাধ্যমে স্বচ্ছ, সক্রিয় ও ত্যাগীদের সাথে রসিকতা করা হয়েছে। 

বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নেতা–কর্মীদের নিয়ে মাদার বখশ হলে যান বিদায়ী কমিটির কাজী আমিনুল ইসলাম, নতুন কমিটির সহসভাপতি শাহিনুল ইসলাম সরকার ও তাওহিদুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য সাকিবুল হাসান। তাঁরা ওই হলের ২১৫ নম্বর কক্ষ ও ওই কক্ষের দুই পাশের ২টি কক্ষে ভাঙচুর চালান। ২১৫ নম্বর কক্ষে থাকেন বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা হিল গালিব। এ সময় তাঁরা কক্ষের দরজা, জানালা ও গাছের টব ভেঙে হল ত্যাগ করেন। 

আশানুরূপ পদ না পওয়া বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি শাহিনুল ইসলাম সরকার ডন বলেন, বর্তমান কমিটি সম্পূর্ণ বিতর্কিত। অছাত্র, ইন্টারপাস ও বিতর্কিতদের নিয়ে এই কমিটি গঠিত হয়েছে। সভাপতি বাবু ৬ মাস আগে রাজনীতিতে এসেছে। নেতা হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক গালিব বিবাহিত, ইন্টারপাস ও বিতর্কিত। রাজাকারের নাতিও এই কমিটিতে আছে।

আমরা এই কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছি। তাদের ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হবে না। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ওরা আসতে পারবে না।

গত কমিটির সহ-সভাপতি কাজী আমিনুল হক লিংকন বলেন, ৩৪ দিন যাচাই-বাছাই করে যে কমিটি দিয়েছে তা মেনে নেওয়ার মত না। সকল পোস্ট বিতর্কিতদের দিয়ে করা হয়েছে। সম্মেলন হওয়ার ২ দিন আগেও বাবু প্রার্থী ছিল না। সে সেলুনে চুল কাটার ব্যবসা করত। তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি করা হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক গালিব ইন্টার পাস। ৩, ৪ বছর পড়াশুনা করে পাস করতে পারেনি। বিবাহিত। তার পরিবারের ৮ জন বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত। গত কমিটিতে যে সহ-সভাপতি এখন ৭ বছর পর সে আবার সহ-সভাপতি। এটা মেনে নেওয়া যায় না। এই কমিটি হাস্যকর। এটা আমাদের সাথে রসিকতা করা হয়েছে। তারা সংগঠন শেষ করে দিয়েছে। আমরা এই সম্পূর্ন কমিটি অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছি।

রাবি ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু এ বিষয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন চিন্তা-ভাবনা করেই এ কমিটি দিয়েছেন। যারা এ কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে তাদের ব্যক্তি স্বার্থ রয়েছে। নতুন এই কমিটিকে বিশ্ববিদ্যায়ের সব স্তরের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্বাগত জানিয়েছেন। আমাদের সংগঠনের কতিপয় ছাত্রনেতা ও কর্মী কমিটিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছেন। এতে ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে আমরা প্রতিহত করব।’ 

ইত্তেফাক/এআই