সাগর উত্তাল থাকায় সেন্টমার্টিন-টেকনাফ নৌপথে জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা 

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৩, ১৫:০১

সাগর উত্তাল ও আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে ৩ নম্বর সর্তক সংকেত জারির কারণে সেন্টমার্টিন-টেকনাফ নৌপথে সকল ধরনের নৌযান চলাচল আগামীকাল ২৪ অক্টোবর থেকে বন্ধ থাকবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই আদেশ অব্যাহত থাকবে।

সোমবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি কারণে আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ নম্বর সর্তক সংকেত জারির করলে উপজেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন টেকনাফ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী। 

তিনি বলেন, সাগর উত্তালে নিম্নচাপ তৈরি হলে আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করে এ কারণে আগামি মঙ্গলবার ২৪ অক্টোবর থেকে সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহাজ, স্পিড বোট কাঠের বোট বা যে কোন জলযান চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হলো। সেন্টমার্টিন দ্বীপে অবস্থানরত সকল পর্যটকগনকে দ্বীপ ত্যাগ করার নির্দেশ না দেওয়া হয়েছে। এ আদেশের পর সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ ও বীচ কর্মীদের মাধ্যমে মাইকিং করে দ্বীপের সকলকে সতর্ক করা হচ্ছে। 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) টেকনাফের ট্রাফিক সুপারভাইজার মো. জহির উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, সোমবার সকালে ১১৫০জন যাত্রী নিয়ে তিনটি পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন, বার আউলিয়ার ও কেয়ারি সিন্দবাদ টেকনাফ দমদমিয়া জেটিঘাট থেকে সেন্টমার্টিন উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। হঠাৎ সাগর উত্তাল হওয়ার কারণে আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ নম্বর সর্তক সংকেত জারি করেন। তবে এ কারণে আগামীকাল ২৪ অক্টোবর থেকে সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ নৌপথে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে বলে তিনি জানায়।

সেন্টমাটিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, সাগর উত্তাল থাকার কারণে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় দ্বীপে অবস্থান রত সকল পর্যটককে মাইকিং করে সর্তক করা হচ্ছে। এবং তাদেরকে দ্বীপ থেকে টেকনাফে ফিরে যেতে বলা হচ্ছে। যেহেতু আগামিকাল থেকে সেন্টমার্টিন-টেকনাফ নৌপথে জাহাজ চলাচল করবে না।

উল্লেখ্য, গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটন মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে বৈরি আবহাওয়ার কারণে এ পর্যন্ত দু’বার জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এর আগে বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সাতদিনের জন্য এমভি ‘বার আওলিয়া’ নামে একটি জাহাজকে পরীক্ষামূলকভাবে ওই নৌপথে চলাচলের অনুমতি দেয় জেলা প্রশাসন। এরপর থেকে পর্যাক্রমে তিনটি পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়।

ইত্তেফাক/এআই