নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার

শতাধিক জেলেকে জেল-জরিমানা

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২৩, ০০:৩০

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা-ইলিশ সংরক্ষণে ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ আহরণের নিষিদ্ধ সময় চলমান রয়েছে। আইন অমান্য করে কোনো জেলে মাছ শিকার করলে তার বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। এদিকে ঐ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চাঁদপুর ও সিরাজগঞ্জের চৌহারী উপজেলায় মা-ইলিশ শিকার করায় শতাধিক জেলেকে আটক করে জেল-জরিমানা করা হয়েছে। আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।

চাঁদপুর: চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অভয়াশ্রম এলাকায় মা-ইলিশ ধরায় টাস্কফোর্স ও নৌ-পুলিশের পৃথক অভিযানে ৮৭ জেলে আটক হয়েছে। এর মধ্যে ৮৩ জেলেকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ এবং চার জেলেকে আটক করেছে সদর উপজেলা টাস্কফোর্স। বুধবার দুপুরে নৌ-পুলিশের অভিযানের তথ্য জানান ওসি মো. কামরুজ্জামান।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় অভয়াশ্রম এলাকায় নৌ-পুলিশের অভিযানে ৮৩ জেলেকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ২৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা, চার জেলেকে ১ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং ১৪ জেলে অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি ৩৮ জেলের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া এসব ঘটনায় মামলা হয়েছে ১৫টি, কারেন্টজাল জব্দ হয়েছে ২০ লাখ মিটার, ইলিশ জব্দ হয়েছে ৪৫২ কেজি এবং মাছ ধরার নৌকা ২৭টি।

এদিকে সদর উপজেলা টাস্কফোর্সের জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় চাঁদপুর সদর টাস্কফোর্সের অভিযানে চার জেলেকে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেশমা খাতুন।

চৌহালী (সিরাজগঞ্জ): চৌহালীতে যমুনায় মা-ইলিশ শিকার করায় ১৫ জেলেকে আটকের পর ১০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার রাতভর চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব হাসান এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে চৌহালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, ক্ষেত্র সহকারী শফিকুল ইসলাম, পুলিশ ও আনসার বাহিনী সদস্যরা অংশ নেন।

ইত্তেফাক/এমএএম