খুলনা থেকে ঈশ্বরদী হয়ে ঢাকা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ও যশোরের বেনাপোল থেকে ঈশ্বরদী হয়ে ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট বদলানোয় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা।
বুধবার (২৫ অক্টোবর) সারাদিনই প্রতিবাদ মিছিল, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন হয়েছে। সকালে ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের প্লাটফরমে ‘আমরা ঈশ্বরদীবাসী’ ব্যানারে ও বিকেলে বাজারের প্রধান ফটকের সামনে ‘ঈশ্বরদীর সচেতন নাগরিকের’ ব্যানারে এসব কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষোভ ও মানব বন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সমাবেত হয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা জানান, পশ্চিমাঞ্চল রেলের গুরুত্বপূর্ণ ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংসন স্টেশন। দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবন ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন ঈশ্বরদী স্টেশন হয়ে ঢাকা চলাচল করতো। জেলা শহর পাবনাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার শত শত মানুষ ট্রেনটিতে চলাচল করতো। রেল কর্তৃপক্ষ রুট বদলে ট্রেন দুটি পদ্মা সেতু দিয়ে চালানোর জন্য ১ নভেম্বর থেকে ঈশ্বরদী লাইন বাতিল ঘোষণা করেছে। এতে এই অঞ্চলের ট্রেন যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। এসব ট্রেনে তারা সহজে ঢাকায় যেতে পারছেন না। ঈশ্বরদীর জন্য আগে থেকেই বিকল্প ট্রেনের ব্যবস্থা করা উচিত ছিল। দুটি ট্রেনের রুট পরিবর্তনের ঘোষণা বাতিল করে ঈশ্বরদী হয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে ঈশ্বরদী থেকে ঢাকাগামী নতুন আন্তঃনগর ট্রেনের ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় দুর্বার আন্দোলন হবে।
স্টেশনের মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি আসাদুর রহমান বীরু। সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ববি সরদার।
সুন্দরবন এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট বদল প্রসঙ্গে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ম্যানেজার শাহ সূফি নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ নভেম্বর এই দুটি ট্রেন পদ্মা সেতু হয়ে চলাচল করবে। ফলে ঈশ্বরদী রুটে এই ট্রেন চলাচলের সুযোগ নেই।’
