জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি ও জাতীয় পার্টি-জেপি’র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট এনামুল ইসলাম রুবেল বলেছেন, ‘যুবকরাই জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রধান নিয়ামক। সাহসী, অদম্য, প্রতিশ্রুতিশীল এবং সৃজনশীল যুবসমাজ যে কোনো দেশের জন্য সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। কর্মবিমুখতা, কুসংস্কার, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদসহ সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি জ্ঞানমুখী, প্রশিক্ষিত ও আদর্শ যুবসমাজই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। যুবদের নিজেদেরকে দক্ষ, আধুনিক, বিজ্ঞানমনস্ক, পরমতসহিষ্ণু, উদার ও নৈতিকতা বোধসম্পন্ন বিবেকবান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’
বুধবার (১ নভেম্বর) কাকরাইল জাতীয় যুবসংহতির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘জাতীয় যুব দিবস’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
কোর্ট রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন, ঢাকা’র সভাপতি অ্যাডভোকেট এনামুল ইসলাম রুবেল ‘জাতীয় যুব দিবস’ উপলক্ষে তারুণ্যদীপ্ত যুবসমাজকে জাতীয় যুব সংহতির পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, এ দেশের যুবসমাজ মুক্তি সংগ্রামের দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় ত্যাগ, তিতিক্ষা ও আত্মোৎসর্গের বিনিময়ে ছিনিয়ে আনে কাঙ্খিত স্বাধীনতা। ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামসহ বিভিন্ন সংকট উত্তরণে যুবসমাজের গৌরবোজ্জ্বল অবদান জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এনামুল ইসলাম রুবেল বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার বৃহৎ অংশই যুবসমাজ, যাদের বয়সসীমা ১৮ হতে ৩৫ বছর। জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ অর্জনসহ বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তরের লক্ষ্য অর্জনে এ জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগাতে হবে।
আলোচনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় যুব সংহতির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ আলম, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট শিরিন আক্তার, মনজুর হাবীব, দিবস তালুকদার, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ নাজমুল হুদা, প্রচার সম্পাদক মো. আল আমিন, মানবাধিকার সম্পাদক রমিজুল ইসলাম সোহাগসহ অনেকে।
