এরই মধ্যে গাজা উপত্যকায় ‘কৌশলগত সাময়িক বিরতি’ ঘোষণায় সম্মতি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি বলে দিয়েছেন যে, সেটি কোনোভাবেই ‘যুদ্ধ বিরতি’ হবে না।
এবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ছোটোখাট কৌশলগত বিরতি হতেই পারে; হয়তো এক ঘণ্টা বা তার কিছু বেশি সময় অর্থাৎ আমি বলতে চাইছি গাজায় ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা পাঠানো এবং মুক্তি পাওয়া জিম্মিদের গাজা থেকে বের হতে যতক্ষণ সময় লাগবে, ততক্ষণ। কিন্তু আমি মনে করি না সেখানে একটি সাধারণ যুদ্ধবিরতি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা রয়েছে।’
গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালায়। প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে সেদিন থেকেই ইসরায়েলের বিমান বাহিনী গাজায় অভিযান শুরু করে। সেই অভিযানের সমাপ্তি এখনও হয়নি।
বিগত ১ মাসে ইসরায়েলের হামলায় নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। তাদের অর্ধেকেরও বেশি শিশু ও নারী। অন্যদিকে ইসরায়েলে নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিক। হামলার প্রথম দিনই ইসরায়েল থেকে অন্তত ২৩৪ জনকে যুদ্ধবন্দী হিসেবে গাজায় ধরে নিয়ে যায় হামাস। অন্তত ১৫ লাখ বেসামরিক লোক হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর আটদিনের মাথায় ১৬ অক্টোবর জাতিসংঘের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর সংস্থা নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব তোলে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের আপত্তির কারণে সেই প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাবে আপত্তি তুলে ওয়াশিংটন ও লন্ডন কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিল, গাজায় এখন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলে তা হামাসের পক্ষে যাবে ও এই যুদ্ধ বিরতির ফলে আবারও ইসরায়েলে হামলার সুযোগ পাবে তারা।

গাজায় নিরাপত্তা দেবেন নেতানিয়াহু!