গাজার উত্তরাঞ্চলে আল শিফা হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার খবরে বলা হয়, সেখানকার কোনো খোঁজখবর পাওয়া যাচ্ছে না। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন চলমান সংঘাতকে কেন্দ্র করে ওই হাসপাতালে আটকে পড়া মানুষদের নিরাপত্তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে সংস্থাটি।
গাজার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল ‘আল শিফা হাসপাতাল’। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ায় শনিবার (১১ নভেম্বর) আল শিফা হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও জানায়, সেখানে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মী, লাইফ সাপোর্টে থাকা শিশুরাসহ শত শত আহত রোগী ও হাসপাতালে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত বেসামরিক লোকদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।
‘গাজায় কোনো জায়গাই নিরাপদ নয় এবং কেউই নিরাপদে নেই’
আবারও অবিলম্বে গাজায় যুদ্ধ বিরতির জন্য আহ্বান জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।
এর আগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুসের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের আরেকটি খবরে বলা হয়, ফিলিস্তিনের গাজায় প্রতি ১০ মিনিটে গড়ে একটি করে শিশু নিহত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘গাজায় কোনো জায়গাই নিরাপদ নয় এবং কেউই নিরাপদে নেই।’
গত ৭ অক্টোবর গাজা থেকে ইসরায়েলে অভিমুখে হাজার হাজার রকেট বর্ষণ করে ইসরায়েলি বাহিনী। পাশাপাশি ইসরায়েলের সীমান্ত ভেদ করে দেশটিতে তাণ্ডব চালায় হামাস যোদ্ধারা। এতে ইসরায়েলের নিহত হয়েছে ১ হাজার ৪০০ জন। আহত ৩ হাজারেরও বেশি। পাশাপাশি হামাসের যোদ্ধারা অন্তত ২৫০ জনকে জিম্মি করে রাখে। এ ঘটনায় প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েল। যা এখনও চলছে। ইসরায়েলের হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা এরই মধ্যে ছাড়িয়েছে ১১ হাজার। আহত হয়েছেন ২৫ হাজারের বেশি।
