প্রধানমন্ত্রীর খুলনায় আগমন ও সার্কিট হাউস মাঠের জনসভাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা-বাহিনী তিনস্তরের কঠোর নিরাপত্তাবলয় গড়ে তুলেছে। এরমধ্যে রয়েছে জনসভাস্থল, জনসভাস্থলের আশেপাশে ও জনসভাস্থলের বাইরের এলাকা।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খুলনায় আগমন ও সার্কিট হাউজ মাঠের মহা-সমাবেশকে কেন্দ্র করে তিনস্তরের কঠোর নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পোশাক ও সাদা পোশাকে মহাসমাবেশস্থল, মহাসমাবেশস্থলের আশেপাশে পোশাক ও সাদা পোশাকের এবং মহাসমবেশস্থলের বাইরে মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও র্যাবের সমন্বয়ে নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে মহাসমাবেশস্থলে নারী-পুরুষসহ লাখ লাখ মানুষ উপস্থিত হবেন-তাদের সার্বিক নিরাপত্তায় সার্কিট হাউস ময়দান ও আশপাশ এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়াও খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভাকে কেন্দ্র করে নগরীর যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ। সোমবার ভোর থেকে সার্কিট হাউজ মাঠমুখী সব কটি সড়কে যান চলাচল প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্য সড়কগুলোতেও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছে পুলিশ। এতে সড়কে যানবাহনের সংখ্যা কমে গেছে।
সোমবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ৭টায় নগরীর শিববাড়ি মোড়ে গিয়ে দেখা গেছে, সার্কিট হাউজ মাঠমুখী যানবাহন আটকে দেওয়া হচ্ছে। নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়, ফেরিঘাট, ডাকবাংলো, পিকচার প্যালেস, থানার মোড়সহ প্রতিটি মোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। সড়কে যানবাহন প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
এছাড়া কেডিএ অ্যাভিনিউতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। ওই সড়কেও হাতে গোনা অল্প কিছু ইজিবাইক ও রিকসা চলাচল করেছে। সড়কে যানবাহনের সংখ্যা একেবারেই কম। এতে সকালে জরুরি প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হয়ে বিপাকে পড়েছে মানুষ।
প্রসঙ্গত, দুপুর ২টায় সার্কিট হাউজ মাঠে আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দিবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। মহাসমাবেশে ১০ লাখ মানুষ সমাগম হবে বলে আশা করছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত খুলনার রাজপথ
মিছিল নিয়ে খুলনার প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় মাশরাফি