নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২ জন। এরা হলেন সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান ও জাতীয় শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহম্মেদ পলাশ।
শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে বিগত নির্বাচনেও কাউসার আহম্মেদ পলাশ দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। গত সংসদ নির্বাচনে কাউসার আহম্মেদ পলাশ দলীয় মনোনয়ন না পেলেও এবারও বরাবরের মতো কাউসার আহম্মেদ পলাশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে। ইতিমধ্যে শামীম ওসমানের সমর্থকরা ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জে শামীম ওসমানের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করে দিয়েছে।
সোমাবার ফতুল্লার শিল্পাঞ্চলে এবং গত বুধবার (২২ নভেম্বর) সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় শামীম ওসমান সেখানকার নেতা-কর্মীদের নিয়ে শান্তি মিছিল বের করেন। দুটি শান্তি মিছিলই লাখো জনতার সমাগম ঘটে। সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা এলাকা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন গঠিত। কাউসার আহম্মেদ পলাশের মনোনয়ন চাওয়াকে সাধারণ নেতা-কর্মীরা তেমন একটা ধর্তব্যের মধ্যে নিচ্ছে না। কেউ কেউ এটাকে চমক মনে করলেও ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জের নেতাকর্মীরা পলাশের মনোনয়ন চাওয়াকে চমক হিসাবে দেখছে না। তাদের মতে নির্বাচন এলে শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে পলাশের দলীয় মনোনয়ন চাওয়া রুটিনে পরিণত হয়েছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান ও ফতুল্লা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুল্লা বাদল জানান, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে শামীম ওসমান আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী। অনেকেই চাইতে পারে দলীয় মনোনয়ন। তবে শেষ পর্যন্ত শামীম ওসমানই মনোনয়ন পান। এ আসনে শামীম ওসমানের বিকল্প নেতা এখনো গড়ে উঠেনি। তাছাড়া শুধু ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জের নয়, সারা নারায়ণগঞ্জ তথা বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের জন্য শামীম ওসমান এখন আইডল। শামীম ওসমান নেতাকর্মীদের মূল্যয়ন করতে জানেন এবং নেতা-কর্মীদের বিপদে আপদে তিনি অতীতে যেমন পাশে ছিলেন এখনও আমাদের পাশেই দিবারাত্রি আছেন। ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে এমন একজনও খোঁজে পাওয়া যাবে না, যিনি শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে কাজ করছেন। কর্মীবান্ধব এই নেতার পিছনে আমারা ঐক্যবদ্ধ।
