বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

নারী ফুটবল দলের কোচ হয়ে আসছেন পলস্মলি

আপডেট : ২৯ নভেম্বর ২০২৩, ১২:৩০

সানজিদা, তহুরা, সাবিনাদের নিয়ে কাজ করে যাওয়া বাফুফের বৃটিশ বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান টেকনিকেল ডাইরেক্টর পলস্মলিকে আবার বাংলাদেশ আনা হচ্ছে। এবার আর অন্য কোনো দায়িত্ব নয়। পুরোপুরি নারী ফুটবলের জন্য কাজ করবেন। নারী ফুটবল দলের হেড কোচ করে পলকে আনা হচ্ছে। আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি আনুষ্ঠানিকতা হয়ে গেলে পলের ঢাকায় আসার তারিখ চূড়ান্ত হবে। জানিয়েছেন বাফুফের নারী ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ। 

পল স্মলি নারী ফুটবলের হেড কোচের দায়িত্ব পালন করবেন। বয়সভিত্তিক নারী ফুটবল দল থেকে শুরু করে সিনিয়র জাতীয় দল পর্যন্ত তিনি কাজ করবেন। ছেলেদের ফুটবল একাডেমির জন্য ব্রিটিশ কোচ নিয়োগ আলোচনা চূড়ান্ত। তাই ছেলেদের ফুটবলে যাবেন না পল। সাবিনাদের কোচ গোলাম রাব্বানি ছোটন পদত্যাগ করার পর সাইফুল বারী টিটুকে দায়িত্ব দিয়ে চীনে এশিয়ান গেমসে পাঠানো হয়েছিল। 

২০১৬ সালে পল বাফুফেতে টেকনিকেল ডাইরেক্টর পদে যোগ দেন পল স্মলি। ২০১৯ সালে চাকরি ছেড়ে ব্রুনাইয়ে নতুন চাকরিতে যোগ দেন পল। কিছু দিন না যেতেই বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনের উদ্যোগে আবার পলকে আনা হয়। এ বছর ২০২৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত চাকরির মেয়াদ ছিল।

যখন ফিফা থেকে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগের নিষেধাজ্ঞা এলো, তার কিছু দিন পরই পল তার মেয়াদপূর্ণ না করেই পদত্যাগপত্র দিয়ে চলে যান। চলে যাওয়ার সময় বাফুফের সহসভাপতি আতাউর রহমান মানিক জানিয়েছিলেন পল তার বেতন বাড়াতে চান। বেতনের অঙ্কটা কত, সেটা প্রকাশ করেননি মানিক। তবে জানিয়েছিলেন সেটা অনেক বেশি, কমানো গেলে পলকে রাখা হবে।’

গতকাল বাফুফের মহিলা কমিটির চেয়ারম্যান কিরণ বললেন, ‘বেতন বাড়ানোর কথা বলেছিল কি না, সেটা আমি জানি না।’ এবার বাফুফে ছেড়ে পল স্মলি মালদ্বীপ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনে যোগ দিয়েছিলেন। গত ১৭ অক্টোবর বিশ্বকাপ বাছাইয়ের রাউন্ড-১ এর ফিরতি ম্যাচ খেলতে ঢাকা এসেছিল মালদ্বীপ। সঙ্গে এসেছিলেন পল। 

মালদ্বীপ ফুটবল কনফেডারেশনের দুরবস্থা চলছে। নিয়মিত লিগ আয়োজন করতে পারছে না। কর্মকর্তা, কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন দিতে পারছে না। টেকনিকেল স্টাফ বেতন না পেয়ে ফিফাকে জানিয়েছে। সেখানকার সংবাদ মাধ্যমে বেরিয়েছে অনেক ফুটবল কর্মকর্তার দাবি মালদ্বীপের সভাপতির সহযোগিতায় দুর্নীতি হয়েছে এবং ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছে কনফেডারেশন। দুরাবস্থার কারণে নির্বাহী কমিটির দুই সদস্য পদত্যাগ করে সরে গিয়েছেন।

গত মাসে মালদ্বীপের প্রসিকিউটর জেনারেল পুলিশ ফুটবল কনফেডারেশনের অফিসে হানা দিয়ে খোঁজার চেষ্টা করেছে অর্থপাচার, আত্মসাত্ হয়েছে কি না। এই পরিস্থিতিতে পল স্মলি মালদ্বীপে চাকরি করবেন কীভাবে। নতুন চাকরি খোঁজাই তো স্বাভাবিক।

ইত্তেফাক/এএম