সিরাজগঞ্জ -৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে ৭ প্রার্থীর মধ্যে আলোচিত হেভিওয়েট প্রার্থী শ্বশুর ও সদ্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হতে পদত্যাগ করা সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাসসহ ৬ জন টিকে গেছেন। তবে তার মেয়ের জামাতা নুরুল ইসলাম সাজেদুলের মনোনয়নপত্রে ত্রুটি থাকায় তা বাতিল করা হয়েছে। এ নিয়ে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিনে সিরাজগঞ্জ-৪, সিরাজগঞ্জ-৫ ও সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়।
তখন ১% স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম সাজেদুলের মনোনয়ন বাতিল ও একইসঙ্গে এ আসনে বাকি ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। মনোনয়নপত্র বৈধতা পাওয়া প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান এমপি আব্দুল মমিন মণ্ডল, সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বিশ্বাস (স্বতন্ত্র), জাতীয় পার্টির ফজলুল হক ডনু, মেজর (অবঃ) আব্দুল্লাহ আল মামুন (স্বতন্ত্র), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নাজমুল হক, বিএনএমএ এর আব্দুল হাকিম।
এ প্রসঙ্গে আলোচিত এমপি প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস জানান, আজীবন দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত ছিলাম। ৭১ মহান এর মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির জনকের আহবানে সাড়া দিয়ে জীবনবাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। বিনিময়ে জনতার বুক ভরা ভালোবাসা পেয়েছি। তারা আমাকে ছেড়ে কখনো যায়নি। নির্বাচনে মনোনয়ন না পেলেও তাদের গণআহবান আমাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামিয়েছি। আশা করছি দেশের অব্যাহত উন্নয়ন মানবিকতার পথ প্রসার করতে আমাকে দলবল নির্বিশেষে ভোট দিয়ে বিজয় করবে। নির্বাচিত হলে এলাকার আর তো সামাজিক উন্নয়ন, তাঁত শিল্পের অগ্রগতিতে ভূমিকা, এনায়েতপুর উপজেলা বাস্তবায়নসহ মানুষের আসার প্রতিফলন ঘটাবো।
