মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

নিবন্ধন সনদধারীদের নিয়োগের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৬:৪১

এনটিআরসির ১ থেকে ১২তম ব্যাচের নিয়োগবঞ্চিত নিবন্ধন সনদধারীদের শর্তহীনভাবে সরাসরি নিয়োগের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের মওলানা মুহাম্মদ আকরম খাঁ হলে নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষক ফোরাম আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি নীলিমা চক্রবর্তী বলেন, এনটিআরসির গঠনপ্রণালীতে ছিল দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক খুঁজে বের করার লক্ষ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সনদ প্রদান করা। সেই হিসেবে আমরা নিবন্ধিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সনদ লাভ করেছি। তাহলে আজকে কেন আমাদের অদক্ষ এবং অযোগ্য বলা হচ্ছে?  রীক্ষার মাধ্যমে কখনো ১৮ শতাংশ, ২২ শতাংশ, ১৭ শতাংশ, আবার কখনো ২০ শতাংশ- এভাবেই সনদ প্রদান করা হয়েছে। এই পার্সেন্টেজ থেকে ভবিষ্যতে কাউকে বঞ্চিত করা হবে, এরকম কোন কথা তখন বলা হয়নি।

তিনি বলেন, পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল বয়সের কোন সীমাবদ্ধতা নেই এবং ৪০ নম্বর অর্জন করলে নিয়োগযোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে। তবে আজকে কেন আমাদের মেধাহীন বলা হচ্ছে? রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশে ১ থেকে ১২তম ব্যাচের নিবন্ধনধারীদের সনদের মেয়াদ আজীবন। তবে এ ক্ষেত্রে কেন ৩৫+ বিবেচিত হচ্ছে?

আইনে আমরা নিয়োগযোগ্য নই এ কথা বারবার বলা হচ্ছে। হাইকোর্ট, সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের রায় আমাদের পক্ষে থাকার পরও আমাদের আইনের দোহাই দিয়ে বারবার বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমাদের প্রত্যাশা ছিল, যখন আমরা সনদ লাভ করেছি, জাতীয় মেধা তালিকায় স্থান করে নিয়েছি, যে কোনো সময়ে নিয়োগ আমাদের অবশ্যই হবে। কিন্তু আজকে নির্মম পরিহাস এই, আমাদের প্রত্যাশা, আশা-আকাঙ্খার কোনো মূল্যই এনটিআরসির কাছে নেই।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ১ থেকে ১২ তম ব্যাচের সকল নিয়োগবঞ্চিত নিবন্ধন সনদধারীদের শর্তহীনভাবে সরাসরি নিয়োগ পাওয়ার অধিকার রাখে। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে আমাদের এই দাবি বাস্তবায়নে গড়িমসি করা হচ্ছে। এতে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অসহায় এবং মানবেতর অবস্থায় জীবনযাপন করছি। এর ফলশ্রুতিতে আমরা নিয়োগবঞ্চিতরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

ইত্তেফাক/এসকে

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন