জালিয়াতির অভিযোগ

বিকেএসপিও গঠন করেছে তদন্ত কমিটি

আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:৩০

বিকেএসপি তার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দেরকে বিভিন্ন লিগে, টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ করে দেয়, যেন খেলোয়াড়রা নিজেকের আরো উন্নত করতে পারে। দেশের জাতীয় পর্যায়ের সুযোগ আরো বৃদ্ধি পায়। সুনাম নষ্ট হয়, এমন কিছু মেনে নেয় না বিকেএসপি। কিন্তু সম্প্রতি বিকেএসপির চার ফুটবলার চকবাজার কিংস ক্লাবের জার্সি গায়ে দ্বিতীয় বিভাগ লিগে খেলার জন্য নাম লেখায়।

পরবর্তী সময় বিকেএসপি যখন নিজেদের নামে তৃতীয় বিভাগ লিগে খেলতে নামে, তখনই বিপত্তি বাধে। চার জনের মধ্যে এক জনকে যখন মাঠে নামানো হয়, তখন এ নিয়ে প্রতিবাদ জানায় সেই ম্যাচের প্রতিপক্ষ আরামবাগ ফুটবল একাডেমি। বাফুফে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিয়ে আরামবাগকে জয়ী ঘোষণা করে এবং বিকেএসপির পরবর্তী সব খেলা বাতিল ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানকে আগামী এক বছর ফুটবলে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

বাফুফের ডিসিপ্লিনারি একশান কমিটির এই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে আপিল করবে বিকেএসপি, জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ার সাদাত আবু মো. ফুয়াদ। তিনি জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি তাদের নিজেদের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হবে। আনোয়ার সাদাত বলেন, ‘একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা সাত দিনের মধ্যে একটি রিপোর্ট দেবেন। তার বাকি ব্যবস্থা।’ তিনি বলেন, ‘বাফুফে আমাদের সঙ্গে কথা বলেনি। তাদের কাছে যেসব কাগজপত্র রয়েছে, সেগুলোর ওপর ভর করেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে তদন্ত করব।’

আসল নাম লুকিয়ে ভিন্ন নামে খেলতে গিয়ে ধরা পড়েছেন চার ফুটবলার। সঙ্গে জড়িত বাফুফের নিষেধাজ্ঞায় পড়েছেন বিকেএসপির দুই কোচ শাহীনুল হক ও রবিউল ইসলাম। এই দুজনকে এক বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। তাসিন, ইকরামুল, ইহসান হাবিব রিদুয়ান, রিফাত কাজী নামের এই ফুটবলারদের শাস্তি হচ্ছে তারা ছয় ম্যাচ খেলতে পারবেন না।

দুই কোচের কাণ্ডে বিপদ ঘাড়ে নিলেও বিকেএসপি প্রাথমিক আলোচনা দেখছে, তাদের কোচ রবিউল ইসলাম খেলোয়াড়দের প্রকৃত নাম গোপন করে খেলার বিষয়টি জানেন। তার বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির কথা জানিয়েছেন বিকেএসপির মহাপরিচালক। তিনি বলেন, ‘দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ইত্তেফাক/এএম