প্রথম ধাপের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছে রংপুর বিভাগের পরীক্ষার্থীরা। ডিজিটাল ডিভাইস জালিয়াতির মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে আজ শুক্রবার সকালে রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন হয়। এতে বিভিন্ন শ্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে অংশ নেন বিভাগের আট জেলার ৫ শতাধিক পরীক্ষার্থী।
মানববন্ধনে পরীক্ষার্থীরা বলেন, গত ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপের পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস ও বাইরে থেকে উত্তর বলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরীক্ষা চলাকালীন শত শত ডিভাইস জব্দ এবং শিক্ষকসহ ১৯২ জন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাত্র কয়েকটি কেন্দ্রে পুলিশি অভিযানেই এগুলো ধরা পড়েছে। অথচ পরীক্ষা হয়েছে ২৯৭টি কেন্দ্রে। প্রতিটি কেন্দ্রেই এ ঘটনা ঘটেছে। এতে আমরা চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। অবিলম্বে পরীক্ষা বাতিল করে দুর্নীতিমুক্তভাবে নিয়োগ দেওয়া না হলে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ধ্বংস হয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
পরীক্ষার্থীদের দাবি, পুলিশের ভুল ধারায় মামলার কারণে অপরাধীরা জামিন পেয়েছে। তাদের সঙ্গে কোন আপোষ হয়েছে কিনা তা আমরা জানি না। এসব বিষয় তদন্ত করতে হবে। দুর্নীতিবাজরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেলে তারা কোনভাবেই শিশুদের সঠিক শিক্ষা দিতে পারবেন না। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা।
গত ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইস জালিয়াতির মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস করে লেখার অভিযোগে রংপুর কালেক্টরেট স্কুলের প্রভাষক মাহমুদুল হাসান, লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক নুরুন্নবী এবং কাউনিয়া টেপামধুপর ফাজিল মাদরাসার শিক্ষক রেজওয়ান মিয়াসহ শতাধিক সিন্ডিকেট সদস্য ও পরীক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
