নারীসহ ৬ অপহরণকারী গ্রেফতার

আপডেট : ০১ জুলাই ২০১৯, ২১:৪০

ফতুল্লায় দুই নারীসহ ছয় অপহরণকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে অপহৃত কুয়েত প্রবাসী এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। গত রবিবার (৩০ জুন) রাতে গিরিধারা মাদরাসা রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

গ্রেফতারকৃত ছয়জন হলেন, গিরিধারা মাদরাসা রোড এলাকার হাজী নুরুল ইসলামের বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত মুনছুর আলীর দুই ছেলে রাজু (৩৬) ও বাদশা (৩৮), একই এলাকার মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে মো. খাইরুল ইসলাম (৩৭), মোহাম্মদ আলীর মেয়ে লিপি (৩০), বিরণ চন্দ্র দাসের মেয়ে রিনা (২৭) এবং ডেমরার ছাগলপট্টি এলাকার মৃত ইসমাইল কবিরাজের ছেলে মো. মাহাবুব (৩৫)। 

ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার হওয়ার পর এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী কুয়েত প্রবাসী আবুল কালাম। তিনি কুমিল্লার দাউদকান্দি থানার হাসনাবাদ কান্দারগাঁও গ্রামের মৃত সামাদ বেপারীর ছেলে। 

অভিযান পরিচালনাকারী ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ছাইদুল ইসলাম মামলার বরাত দিয়ে জানান, ভিক্টিম বর্তমানে ছুটিতে দেশে আছেন। বেশ কিছুদিন আগে মোবাইলে রং নাম্বারের মাধ্যমে আসামি রিনার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে কথাবার্তা চলতে থাকার একপর্যায়ে রিনা তার স্বামীকে বিদেশে পাঠানোর প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাব অনুযায়ী বিদেশে পাঠানোর আনুষঙ্গিক কার্যক্রম এবং আলোচনা করার কথা বলে গত রবিবার বিকেলে রিনা ভিক্টিম আবুল কালামকে ফোন করে তাদের বাসায় আসতে বলেন। 

আরও পড়ুন: গণধর্ষণের পর পালাতে গিয়ে খুন হয়েছিল মিতু

আবুল কালাম রবিবার বিকেলে রিনাদের বাসায় যাওয়া মাত্রই তার সহযোগী অন্য আসামিরা আটকে মোবাইল ও টাকা পয়সা কেড়ে নেয়। এর পর তারা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। 

ভিক্টিম টাকা জোগাড় করার কথা বলে কৌশলে তার বন্ধু আরমান নামে একজনকে বিষয়টি জানালে আরমান পুলিশে খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গিরিধারা মাদরাসা রোড এলাকার হাজী নুরুল ইসলামের বাড়ির ৭ম তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। 

অভিযানে আসামিদের গ্রেফতারসহ ভিক্টিম আবুল কালামকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়।  

এসআই ছাইদুল ইসলাম আরও জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে সোমবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ইত্তেফাক/অনি