যিনি দিনরাত ছুটে বেড়াতেন সেই মানুষ কাজী সালাহউদ্দিন পাঁচ দিন ধরে হাসপাতালের বিছানায়। শরীরের কথা বিবেচনা করে তার সঙ্গে কাউকে দেখা করতে না দেওয়ার পক্ষে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুধু পরিবারের সদস্যরাই পাশে থাকার অনুমতি পেয়েছেন। পরশু সন্ধ্যায় একঝলক দেখা করার সুযোগ পেয়েছিলেন বাফুফের সহসভাপতি ইমরুল হাসান। এনজিওগ্রাম করা হয়েছে। গতকাল তিনি জানিয়েছেন তিনটা ব্লক পাওয়া গেছে। মেইন আর্টারি পুরোটাই অকার্যকর হয়ে গেছে। এ কারণে সমস্যাটা বেশি। আমি শুনেছি ওপেনহার্ট করতে হবে।’
সালাহউদ্দিনের স্ত্রী ইমা পাশে আছেন, তার ছেলে কাজী শাফিল, কন্যা কাজী সারাজিন গতকালও বাবার পাশে সময় কাটিয়েছেন। সালাহউদ্দিনের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে শনিবার ওপেনহার্ট করা হবে। বিদেশে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু এই মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে চাইছে না কেউ। ঢাকায় চিকিৎসা করাতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
গত ১৬ ডিসেম্বর শনিবার, বিজয় দিবসের দিন সকালে বারিধারার বাসায় শরীর খারাপ হয় সালাহউদ্দিনের। বাসার কাছে একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তখনই ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন চিকিত্সকরা। কিন্তু বিকালে ভর্তি হওয়ার কথা বলে সালাহউদ্দিন সেখান থেকে বেরিয়ে বাফুফে ভবনে গিয়েছিলেন। দুপুরে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের ম্যানেজার তানভীর মাজহার তান্না এবং স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে নতুন নাম ফলক উন্মোচন করেন ফুটবল ভবনে। বিকালে আবার বাসায় ফিরে যান তিনি, প্রয়োজনীয় কয়েকটি জামা কাপড় এবং চিকিত্সার কাগজপত্র নিয়ে সন্ধ্যায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন বাফুফের সভাপতি।
