নির্বাচনি কাজে বাধা

মধুপুর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ চার জনের বিরুদ্ধে অনাস্থা

আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:৪০

কৃষিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর বক্তব্য দিয়ে সংসদ নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণার কারণে শোকজ পেয়েছিলেন টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু। এ কারণসহ আরো একাধিক কারণ উল্লেখ করে দল থেকে তাকে বহিষ্কারের দাবি করে যাচ্ছে দলের একটি অংশ। এবার নির্বাচনে বাধা প্রদানের অভিযোগে অনাস্থা দিয়েছে ঐ অংশটি। তার সঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক  সম্পাদকের বিরুদ্ধেও এ অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে।

গত ২০ ডিসেম্বর দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের এক বিশেষ সভায় এ অনাস্থা প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।  এতে সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলীকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনিকে দেওয়া হয় ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দলীয় কার্যালয়ে দলের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করে দলের এমন সিদ্ধান্তের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্ত নেতৃবৃন্দ  তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। 

তারা বলেছেন, যারা এটি করেছে তারা এটি করতে পারে না এবং এটি তাদের সম্পূর্ণ এক্তিয়ারবহির্ভূত।  সংবাদ সম্মেলনে মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদ্য ঘোষিত ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইয়াকুব আলী অভিযোগ করে বলেন, টাঙ্গাইল-১ আসনের আওয়ামী লীগের ৫ম বারের মতো মনোনীত  প্রার্থী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপির নৌকা প্রতীকের গোলাবাড়ী ইউনিয়নের হাসনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্র কমিটির জন্য তৈরি মঞ্চ সভাপতি-সম্পাদকের কর্মীরা ১৭ ডিসেম্বর ভাঙচুর করেছে। এ বিষয়ে ২০ ডিসেম্বর মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ সভা আহ্বান করা হয়। 

সভায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা খান বাবলু ও শিক্ষা সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শামসুল আরেফিন শরীফের বিরুদ্ধে অনাস্থার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। তিনি বলেন, সভায় দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়ায় এখন বেঁচে থাকা ৫১ জন সদস্য কমিটিতে আছেন। তার মধ্যে ৪১ জন উপস্থিত থেকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ইত্তেফাক/এএইচপি